
সাইফ তমাল, সিঙ্গাপুর থেকে

সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল আজহা। গত বুধবার (২৭ মে) সিঙ্গাপুরে ঈদ উদ্যাপিত হয়।
অনবোর্ড টেঙ্গা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদের নামাজ। ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু হতে থাকে ব্যাপক আয়োজন। একে একে প্রবাসী মুসল্লিরা নামাজের ময়দানে উপস্থিত হতে থাকেন। সকাল ৮টায় একটিমাত্র জামাতের মাধ্যমে শুরু হয় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ।
এবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে নামাজে অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারতের কিছুসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
বছর ঘুরে আসে পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের দিন। মুসলমানরা পশু কোরবানির মাধ্যমে মনের সকল কালিমা দূর করে আগামী দিনগুলোতে একত্রে মিলেমিশে সমাজে বসবাস করার প্রতি বিশ্বাস রেখে এই দিনটি পালন করেন। ঈদের নামাজের জামাতে ধনী-গরিবের কোনো ভেদাভেদ থাকে না। সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ দূর এবং মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্যের চেতনা জাগ্রত হয়।

হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় পুত্রকে কুরবানি করতে প্রস্তুত ছিলেন। ঈদুল আযহা সকল মুসলমানদের হযরত ইব্রাহিম (আ.) মহিমান্বিত ত্যাগ স্বরণ করিয়ে দেয়। নিজের প্রিয় বস্তু, স্বার্থ, অহংকার বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর মানবকল্যাণে স্রষ্টার সন্তুষ্টি ও নৈতিক আদর্শ অর্জনের নিঃস্বার্থ আত্মউৎসর্গ করা হয়। পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদের নামাজ ও তৎপরবর্তী কোরবানি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, আল্লাহর নির্দেশে সকল মুসলমানদের সর্বদা নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু বা স্বার্থ বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশ্বের সকল মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে এই দিনটি পালন করে থাকেন।
প্রবাস জীবনের ঈদ মানে বুকের ভেতর চাপা কষ্ট
প্রবাসীরা দেশে আপনজন রেখে হাজার হাজার মাইল দূরে পবিত্র ঈদের দিনটি অতিবাহিত করেন। কোনো বাড়তি আয়োজন নেই। মুখে হাসি থাকলেও মনের ভিতর থাকে ব্যাপক শুন্যতা। গোপনে অনেকে চোখের জল ঝরান। মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে জন্মদেশে অবস্থানরত পিতামাতা, স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়ের সাথে চোখের দেখায় কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। পবিত্র ঈদের দিনে ছোটবেলার বন্ধুদের সাথে আড্ডা ছোটাছুটির আনন্দ সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে চলে নানান পরিকল্পনা। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোটবেলার আনন্দ অতীত হয়ে যায়। স্মৃতির জানালায় কিঞ্চিৎ উঁকি দিয়ে আসে সেই আনন্দ। কিন্তু সেইদিনে আর ফিরে যাওয়া সম্ভব হয় না।

উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও পবিত্র ঈদের নামাজে ইমামতি করেন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. আবুল বাসার। নামাজের আগে মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করেন মো. ফজলুল বারী। অনবোর্ড টেঙ্গার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কর্মীদের সহযোগিতা এবং সেচ্ছাসেবীদের পরিশ্রমে অনুষ্ঠিত হয় মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ।

সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল আজহা। গত বুধবার (২৭ মে) সিঙ্গাপুরে ঈদ উদ্যাপিত হয়।
অনবোর্ড টেঙ্গা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদের নামাজ। ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু হতে থাকে ব্যাপক আয়োজন। একে একে প্রবাসী মুসল্লিরা নামাজের ময়দানে উপস্থিত হতে থাকেন। সকাল ৮টায় একটিমাত্র জামাতের মাধ্যমে শুরু হয় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ।
এবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে নামাজে অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারতের কিছুসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
বছর ঘুরে আসে পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের দিন। মুসলমানরা পশু কোরবানির মাধ্যমে মনের সকল কালিমা দূর করে আগামী দিনগুলোতে একত্রে মিলেমিশে সমাজে বসবাস করার প্রতি বিশ্বাস রেখে এই দিনটি পালন করেন। ঈদের নামাজের জামাতে ধনী-গরিবের কোনো ভেদাভেদ থাকে না। সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ দূর এবং মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্যের চেতনা জাগ্রত হয়।

হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় পুত্রকে কুরবানি করতে প্রস্তুত ছিলেন। ঈদুল আযহা সকল মুসলমানদের হযরত ইব্রাহিম (আ.) মহিমান্বিত ত্যাগ স্বরণ করিয়ে দেয়। নিজের প্রিয় বস্তু, স্বার্থ, অহংকার বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর মানবকল্যাণে স্রষ্টার সন্তুষ্টি ও নৈতিক আদর্শ অর্জনের নিঃস্বার্থ আত্মউৎসর্গ করা হয়। পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদের নামাজ ও তৎপরবর্তী কোরবানি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, আল্লাহর নির্দেশে সকল মুসলমানদের সর্বদা নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু বা স্বার্থ বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশ্বের সকল মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে এই দিনটি পালন করে থাকেন।
প্রবাস জীবনের ঈদ মানে বুকের ভেতর চাপা কষ্ট
প্রবাসীরা দেশে আপনজন রেখে হাজার হাজার মাইল দূরে পবিত্র ঈদের দিনটি অতিবাহিত করেন। কোনো বাড়তি আয়োজন নেই। মুখে হাসি থাকলেও মনের ভিতর থাকে ব্যাপক শুন্যতা। গোপনে অনেকে চোখের জল ঝরান। মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে জন্মদেশে অবস্থানরত পিতামাতা, স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়ের সাথে চোখের দেখায় কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। পবিত্র ঈদের দিনে ছোটবেলার বন্ধুদের সাথে আড্ডা ছোটাছুটির আনন্দ সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে চলে নানান পরিকল্পনা। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোটবেলার আনন্দ অতীত হয়ে যায়। স্মৃতির জানালায় কিঞ্চিৎ উঁকি দিয়ে আসে সেই আনন্দ। কিন্তু সেইদিনে আর ফিরে যাওয়া সম্ভব হয় না।

উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও পবিত্র ঈদের নামাজে ইমামতি করেন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. আবুল বাসার। নামাজের আগে মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করেন মো. ফজলুল বারী। অনবোর্ড টেঙ্গার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কর্মীদের সহযোগিতা এবং সেচ্ছাসেবীদের পরিশ্রমে অনুষ্ঠিত হয় মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ।
আক্তারুজ্জামান বাচ্চু এমপি তার বক্তব্যে প্রবাসীদের প্রশংসা করে বলেন, “প্রবাসীরাই বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি, প্রবাসীরাই প্রকৃত দেশপ্রেমী।”
মেজবান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। উপস্থিত সবাইকে ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য হিসেবে মন ভরে রুটি-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করানো হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৫ দিন আগে