
প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়া দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুর ইফতার ও দোয়া মাহফিল করেছে। রোববার (২৩ মার্চ) কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকলেট রেস্টুরেন্টে এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইসকান্দার মনি। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক রফিক আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে মাহে রমজানের ওপর আলোচনা করেন ইউনিভার্সিটি মালয়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারি।
সমিতির সদস্য তারেক সালামের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন সমিতির উপদেষ্টা ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন মাহমুদ সোহেল, মার্শাল পাভেল, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুকুল ইসলাম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক সাদেক উল্লাহ, শাহাব উদ্দিন সিআইপি, সিটি ইউনিভার্সিটির মালয়েশিয়ার পিএইচডি গবেষক আবু রাশেদ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মাওলানা ইব্রাহিম খলিল ও মোহাম্মদ পারভেজ আলম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসাইন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হারুন, নাঈম উদ্দিন সুমন, জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন , আবদুর রহিম, মোহাম্মদ আলম ,সিটি ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার পিএইচডি গবেষক মঈনুল ইসলাম তুন, মোহাম্মদ মাছুম, জাবেদ ও তৈয়ব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারি মোহাম্মদ আলমগীর।
স্বাগত বক্তব্যে রফিক আহমদ খান চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার গত দুই বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ‘একতা, ভাতৃত্ব, স্বদেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের ব্রত নিয়ে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া গঠিত হয়। চট্টগ্রাম সমিতি গত দুই বছরে বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমূলক বেশ কিছু কাজ করেছে। সমিতির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানের মাধ্যমে প্রবাসীদের কল্যাণমূলক কাজগুলো করে থাকে চট্টগ্রাম সমিতি।’
তিনি আরও বলেন, আহ্বায়ক ফজলে নুর বাপ্পি ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইসকান্দার মনির নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া।

চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়া দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুর ইফতার ও দোয়া মাহফিল করেছে। রোববার (২৩ মার্চ) কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকলেট রেস্টুরেন্টে এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইসকান্দার মনি। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক রফিক আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে মাহে রমজানের ওপর আলোচনা করেন ইউনিভার্সিটি মালয়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারি।
সমিতির সদস্য তারেক সালামের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন সমিতির উপদেষ্টা ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন মাহমুদ সোহেল, মার্শাল পাভেল, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুকুল ইসলাম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক সাদেক উল্লাহ, শাহাব উদ্দিন সিআইপি, সিটি ইউনিভার্সিটির মালয়েশিয়ার পিএইচডি গবেষক আবু রাশেদ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মাওলানা ইব্রাহিম খলিল ও মোহাম্মদ পারভেজ আলম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসাইন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হারুন, নাঈম উদ্দিন সুমন, জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন , আবদুর রহিম, মোহাম্মদ আলম ,সিটি ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার পিএইচডি গবেষক মঈনুল ইসলাম তুন, মোহাম্মদ মাছুম, জাবেদ ও তৈয়ব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারি মোহাম্মদ আলমগীর।
স্বাগত বক্তব্যে রফিক আহমদ খান চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার গত দুই বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ‘একতা, ভাতৃত্ব, স্বদেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের ব্রত নিয়ে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া গঠিত হয়। চট্টগ্রাম সমিতি গত দুই বছরে বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমূলক বেশ কিছু কাজ করেছে। সমিতির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানের মাধ্যমে প্রবাসীদের কল্যাণমূলক কাজগুলো করে থাকে চট্টগ্রাম সমিতি।’
তিনি আরও বলেন, আহ্বায়ক ফজলে নুর বাপ্পি ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইসকান্দার মনির নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।