
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় উপলক্ষে প্রীতি ফুটসাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের আমপাং পার্কের ফুটসাল মাঠে আয়োজিত এই ম্যাচে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাইপর্বের মাধ্যমে নির্বাচিত খেলোয়াড়েরা অংশগ্রহণ করেন।
ম্যাচে মুখোমুখি হয় গালিবের নেতৃত্বাধীন লাল দল ও আসিফের নেতৃত্বাধীন সবুজ দল। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ২–২ গোলে সমতায় শেষ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। অতিরিক্ত সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার গোলে সবুজ দল ৩–২ ব্যবধানে লাল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উল্লেখ্য, ম্যাচে প্রথমে লাল দলের হয়ে এবং পরবর্তীতে সবুজ দলের হয়ে খেলেন জামাল ভূঁইয়া। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব ম্যাচের গতি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির (এপিইউ) শিক্ষার্থী হুজাইফা।
এই প্রীতি ফুটসাল ম্যাচে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশিরাও উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামাল ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসওএমের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ মাহবুব করিম, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন ও সাহাব উদ্দিন সিআইপি।

ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় জামাল ভূঁইয়া বলেন, “মালয়েশিয়ায় এসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। এমন আয়োজন প্রবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্য গড়ে তুলতে সহায়ক।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল লিজেন্ড গ্লোবাল। ফুড পার্টনার হিসেবে ছিল মৈত্রী এসডিএন বিএইচডি।
ফুটসাল ম্যাচের সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন বিএসওএম সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব, সাধারণ সম্পাদক আদিব, সহসভাপতি আসিফ রহমান, সাকিব মিয়া ও নিসাদ তাবাসসুম।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (বিএসওএম) ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রবাসে বাংলাদেশের শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ঐক্যকে এগিয়ে নিতে শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

মালয়েশিয়ায অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় উপলক্ষে প্রীতি ফুটসাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের আমপাং পার্কের ফুটসাল মাঠে আয়োজিত এই ম্যাচে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাইপর্বের মাধ্যমে নির্বাচিত খেলোয়াড়েরা অংশগ্রহণ করেন।
ম্যাচে মুখোমুখি হয় গালিবের নেতৃত্বাধীন লাল দল ও আসিফের নেতৃত্বাধীন সবুজ দল। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ২–২ গোলে সমতায় শেষ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। অতিরিক্ত সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার গোলে সবুজ দল ৩–২ ব্যবধানে লাল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উল্লেখ্য, ম্যাচে প্রথমে লাল দলের হয়ে এবং পরবর্তীতে সবুজ দলের হয়ে খেলেন জামাল ভূঁইয়া। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব ম্যাচের গতি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির (এপিইউ) শিক্ষার্থী হুজাইফা।
এই প্রীতি ফুটসাল ম্যাচে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশিরাও উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামাল ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসওএমের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ মাহবুব করিম, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন ও সাহাব উদ্দিন সিআইপি।

ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় জামাল ভূঁইয়া বলেন, “মালয়েশিয়ায় এসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। এমন আয়োজন প্রবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্য গড়ে তুলতে সহায়ক।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল লিজেন্ড গ্লোবাল। ফুড পার্টনার হিসেবে ছিল মৈত্রী এসডিএন বিএইচডি।
ফুটসাল ম্যাচের সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন বিএসওএম সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব, সাধারণ সম্পাদক আদিব, সহসভাপতি আসিফ রহমান, সাকিব মিয়া ও নিসাদ তাবাসসুম।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (বিএসওএম) ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রবাসে বাংলাদেশের শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ঐক্যকে এগিয়ে নিতে শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।