
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।
রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো জয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে দূতাবাস চত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। পরে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় রিয়াদে প্রবাসী বাংলাদেশিগণের পক্ষ থেকেও শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালনের অংশ হিসেবে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভার শুরুতেই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রিয়াদের অভিবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির হামিদুল হক শামীম, মো. তাজুল ইসলাম গাজী ও ডা. এ কে এম গোলাম হাসনাইন সোহান।
সবশেষে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সকল ভাষা শহিদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। যার ফলে আমরা নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হই। পরবর্তীতে নানা ঘাত–প্রতিঘাত ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইতিহাস হতে প্রমাণিত, বাংলাদেশের মানুষ যখন কোনো ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করে, তখন অবশ্যম্ভাবীভাবেই সাফল্য অর্জিত হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে সৌদি আরবের প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সৌদি আরবের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে করতে তাদের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তিনি প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে দেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ নামটি একটি দক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির আরও প্রসার ও সমৃদ্ধি ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অদম্য চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।
রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো জয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে দূতাবাস চত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। পরে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় রিয়াদে প্রবাসী বাংলাদেশিগণের পক্ষ থেকেও শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালনের অংশ হিসেবে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভার শুরুতেই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রিয়াদের অভিবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির হামিদুল হক শামীম, মো. তাজুল ইসলাম গাজী ও ডা. এ কে এম গোলাম হাসনাইন সোহান।
সবশেষে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সকল ভাষা শহিদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। যার ফলে আমরা নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হই। পরবর্তীতে নানা ঘাত–প্রতিঘাত ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইতিহাস হতে প্রমাণিত, বাংলাদেশের মানুষ যখন কোনো ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করে, তখন অবশ্যম্ভাবীভাবেই সাফল্য অর্জিত হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে সৌদি আরবের প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সৌদি আরবের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে করতে তাদের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তিনি প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে দেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ নামটি একটি দক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির আরও প্রসার ও সমৃদ্ধি ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অদম্য চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।