
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হামাদ টাউন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) প্রবাসবান্ধব এই বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কনস্যুলার ক্যাম্পে ওই এলাকায় বসবাসরত প্রবাসীরা ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য উপস্থিত হন। প্রায় ৩০০ জন সেবাগ্রহীতা বিভিন্ন কনসুল্যার সেবা তথা পাসপোর্ট সেবা, জন্মনিবন্ধন সেবা, বিশেষ আইনগত সেবা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধন সেবা এবং ফ্রি মেডিকেল সেবা গ্রহণ করেন।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার কনস্যুলার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। তিনি ক্যাম্পে আগত প্রবাসীদের স্বাগতম জানান এবং তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। উপস্থিত প্রবাসীরা দূতাবাসের এত সুন্দর প্রবাসবান্ধব কনস্যুলার সেবার আয়োজনের জন্য রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একই ছাতার নিচে পাসপোর্ট সেবা, জন্মনিবন্ধন সেবা, বিশেষ আইনগত সেবা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধন সেবা পাওয়াতে আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের এ কার্যক্রমে তাদের বেশ উপকার হয়েছে বলে জানান। অন্যদিকে একইসাথে ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদানের জন্য তারা দূতাবাসের প্রশংসা এবং বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের জন্য দূতাবাসকে অনুরোধ করেন।

কনসুল্যার ক্যাম্পে দূতাবাস থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. সোহাগ হোসেন, প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মাহফুজুর রহমান ও দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনস্যুলার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে।

বাহরাইনে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হামাদ টাউন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) প্রবাসবান্ধব এই বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কনস্যুলার ক্যাম্পে ওই এলাকায় বসবাসরত প্রবাসীরা ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য উপস্থিত হন। প্রায় ৩০০ জন সেবাগ্রহীতা বিভিন্ন কনসুল্যার সেবা তথা পাসপোর্ট সেবা, জন্মনিবন্ধন সেবা, বিশেষ আইনগত সেবা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধন সেবা এবং ফ্রি মেডিকেল সেবা গ্রহণ করেন।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার কনস্যুলার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। তিনি ক্যাম্পে আগত প্রবাসীদের স্বাগতম জানান এবং তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। উপস্থিত প্রবাসীরা দূতাবাসের এত সুন্দর প্রবাসবান্ধব কনস্যুলার সেবার আয়োজনের জন্য রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একই ছাতার নিচে পাসপোর্ট সেবা, জন্মনিবন্ধন সেবা, বিশেষ আইনগত সেবা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধন সেবা পাওয়াতে আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের এ কার্যক্রমে তাদের বেশ উপকার হয়েছে বলে জানান। অন্যদিকে একইসাথে ফ্রি মেডিকেল সেবা প্রদানের জন্য তারা দূতাবাসের প্রশংসা এবং বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের জন্য দূতাবাসকে অনুরোধ করেন।

কনসুল্যার ক্যাম্পে দূতাবাস থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. সোহাগ হোসেন, প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মাহফুজুর রহমান ও দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনস্যুলার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।