
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোতে নতুন রূপে সাজানো বাংলাদেশি মালিকানাধীন কেমিস্ট ডিসকাউন্ট সেন্টারের কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে ফিতা কেটে সেন্টারের নবপর্যায়ের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও ডিন চৌধুরী মাহমুদ হাসান।

নতুন সাজে সজ্জিত হলেও, আগের মতোই আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সেবাই থাকবে গ্রাহকদের জন্য, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফার্মেসিটির সত্ত্বাধিকারী ফার্মাসিস্ট এম এ হাদী।
পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অভিজ্ঞ ও পেশাদার ফার্মাসিস্টদের মাধ্যমে সাশ্রয়ী দামে সেবা দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

আনুষ্ঠানিক গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে ছিল নানা আয়োজন, বিশেষ উদ্বোধনী ছাড়, শিশুদের জন্য ফেস পেইন্টিং, ফ্রি গুডি ব্যাগ, মজাদার কাপকেক। এ ছাড়াও পুরো পরিবারের জন্য ছিল আকর্ষণীয় আয়োজন।
ফার্মেসিটি শপ ২১, মিন্টো মার্কেটপ্লেস, ১০ ব্রুকফিল্ড রোড, মিন্টো এনএসডব্লিউ ২৫৬৬ ঠিকানায় অবস্থিত। কেমিস্ট ডিসকাউন্ট সেন্টার মিন্টো সাশ্রয়ী দামে পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোতে নতুন রূপে সাজানো বাংলাদেশি মালিকানাধীন কেমিস্ট ডিসকাউন্ট সেন্টারের কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে ফিতা কেটে সেন্টারের নবপর্যায়ের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও ডিন চৌধুরী মাহমুদ হাসান।

নতুন সাজে সজ্জিত হলেও, আগের মতোই আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সেবাই থাকবে গ্রাহকদের জন্য, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফার্মেসিটির সত্ত্বাধিকারী ফার্মাসিস্ট এম এ হাদী।
পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অভিজ্ঞ ও পেশাদার ফার্মাসিস্টদের মাধ্যমে সাশ্রয়ী দামে সেবা দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

আনুষ্ঠানিক গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে ছিল নানা আয়োজন, বিশেষ উদ্বোধনী ছাড়, শিশুদের জন্য ফেস পেইন্টিং, ফ্রি গুডি ব্যাগ, মজাদার কাপকেক। এ ছাড়াও পুরো পরিবারের জন্য ছিল আকর্ষণীয় আয়োজন।
ফার্মেসিটি শপ ২১, মিন্টো মার্কেটপ্লেস, ১০ ব্রুকফিল্ড রোড, মিন্টো এনএসডব্লিউ ২৫৬৬ ঠিকানায় অবস্থিত। কেমিস্ট ডিসকাউন্ট সেন্টার মিন্টো সাশ্রয়ী দামে পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।