
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন ক্যানবেরার (বিএএসি) উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও উৎসবমুখর ক্রীড়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশু ও কিশোরদের পাশাপাশি বড়দের সক্রিয় অংশগ্রহণ। ক্রীড়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেশাত্মবোধক পরিবেশনা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনায় তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, প্রবাসে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা প্রজন্মও বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকতে আগ্রহী। শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন এবং কিশোর ও বয়স্কদের দাবা, লুডু, ব্যাডমিন্টন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলো অভিভাবক ও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। এসব পরিবেশনার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের ভাষায় ও অনুভবে জীবন্ত হয়ে ওঠে। এটি প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুদের মধ্যে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় ইতিহাস চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ও সংগঠনের নেতাদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্যে তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তুলতে এ ধরনের অংশগ্রহণমূলক আয়োজন অত্যন্ত জরুরি। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী শিশুদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান থাকবে। নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে ক্যানবেরাতে বেড়ে ওঠা পরমা মুৎসুদ্দি ও রাফাজ রহমান তাদের নিজেদের ভাষাতে খুব সাবলীলভাবে বিজয় দিবসের ইতিহাস বর্ণনা করেন।
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন ক্যানবেরা জানায়, প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর সন্তানদের বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখাই সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভবিষ্যতেও শিশু-কিশোরদের কেন্দ্র করে আরও শিক্ষামূলক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করা হবে। বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে প্রকৃতি, হাফসা, ইসমাইল, আরিশা, লায়লা, মেহরিন, প্রচ্ছন্ন, অমিয় চৌধুরী, স্বর্গ ও ফেরারী ব্যান্ড। দলীয় নৃত্য পরিবেশনে ছিল ইনায়া, আরিশা, সুরিন, মায়া ও জয়ী। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ অথিতি কিরীটি চাকমা।
অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন নিগার রাজ্জাক টিনা।
অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক, অভিভাবক, শিল্পী, ক্রীড়াবিদ এবং সকল কমিউনিটি সদস্যদের প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। মহান বিজয় দিবসের চেতনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে আয়োজকেরা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন ক্যানবেরার (বিএএসি) উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও উৎসবমুখর ক্রীড়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশু ও কিশোরদের পাশাপাশি বড়দের সক্রিয় অংশগ্রহণ। ক্রীড়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেশাত্মবোধক পরিবেশনা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনায় তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, প্রবাসে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা প্রজন্মও বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকতে আগ্রহী। শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন এবং কিশোর ও বয়স্কদের দাবা, লুডু, ব্যাডমিন্টন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলো অভিভাবক ও দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। এসব পরিবেশনার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের ভাষায় ও অনুভবে জীবন্ত হয়ে ওঠে। এটি প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুদের মধ্যে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় ইতিহাস চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ও সংগঠনের নেতাদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্যে তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তুলতে এ ধরনের অংশগ্রহণমূলক আয়োজন অত্যন্ত জরুরি। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী শিশুদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান থাকবে। নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে ক্যানবেরাতে বেড়ে ওঠা পরমা মুৎসুদ্দি ও রাফাজ রহমান তাদের নিজেদের ভাষাতে খুব সাবলীলভাবে বিজয় দিবসের ইতিহাস বর্ণনা করেন।
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন ক্যানবেরা জানায়, প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর সন্তানদের বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখাই সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভবিষ্যতেও শিশু-কিশোরদের কেন্দ্র করে আরও শিক্ষামূলক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করা হবে। বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে প্রকৃতি, হাফসা, ইসমাইল, আরিশা, লায়লা, মেহরিন, প্রচ্ছন্ন, অমিয় চৌধুরী, স্বর্গ ও ফেরারী ব্যান্ড। দলীয় নৃত্য পরিবেশনে ছিল ইনায়া, আরিশা, সুরিন, মায়া ও জয়ী। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ অথিতি কিরীটি চাকমা।
অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন নিগার রাজ্জাক টিনা।
অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক, অভিভাবক, শিল্পী, ক্রীড়াবিদ এবং সকল কমিউনিটি সদস্যদের প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। মহান বিজয় দিবসের চেতনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে আয়োজকেরা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।