
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির বাংলা কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলা নিউজ পোর্টাল চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসানকে সম্মান জানানো হয়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিডনির ইঙ্গেলবার্নের মেজবান রেস্টুরেন্টে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আয়োজনে সিডনির বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সোহরাব হাসানের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বলেন, তার পেশাদারত্ব, নৈতিকতা ও নিরপেক্ষতার অনন্য দৃষ্টান্ত সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।
তারা উল্লেখ করেন, সোহরাব হাসানের লেখালেখি সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরা, সচেতনতা সৃষ্টি ও মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বাংলা ভাষা ও সাংবাদিকতার প্রতি তার নিবেদন ও অবদানের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বাংলা কমিউনিটিতে তিনি যথাযোগ্য সম্মান অর্জন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সোহরাব হাসানের সহধর্মিণীকেও সম্মান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, তার নীরব সহযোগিতা, ধৈর্য ও পারিবারিক সমর্থন সোহরাব হাসানকে নিরবচ্ছিন্নভাবে লেখালেখি ও গবেষণায় মনোনিবেশ করতে সহায়তা করেছে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোহরাব হাসান তার বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রবাসে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তিনি অনুভব করেছেন, তা তার জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি উল্লেখ করেন, সিডনির বাংলা কমিউনিটির এই আন্তরিক সম্মান তিনি আজীবন স্মরণে রাখবেন।

উল্লেখ্য, সোহরাব হাসান বাংলাদেশের প্রথম আলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে বাংলা নিউজ পোর্টাল চরচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চরচায় তিনি বিশদ বিশ্লেষণ, মতামত ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকদের কাছে তথ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। তার সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতা প্রায় চার দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত, যা তাকে সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক বিশ্লেষণে একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি দান করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির বাংলা কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলা নিউজ পোর্টাল চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসানকে সম্মান জানানো হয়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিডনির ইঙ্গেলবার্নের মেজবান রেস্টুরেন্টে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আয়োজনে সিডনির বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সোহরাব হাসানের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বলেন, তার পেশাদারত্ব, নৈতিকতা ও নিরপেক্ষতার অনন্য দৃষ্টান্ত সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।
তারা উল্লেখ করেন, সোহরাব হাসানের লেখালেখি সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরা, সচেতনতা সৃষ্টি ও মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বাংলা ভাষা ও সাংবাদিকতার প্রতি তার নিবেদন ও অবদানের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বাংলা কমিউনিটিতে তিনি যথাযোগ্য সম্মান অর্জন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সোহরাব হাসানের সহধর্মিণীকেও সম্মান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, তার নীরব সহযোগিতা, ধৈর্য ও পারিবারিক সমর্থন সোহরাব হাসানকে নিরবচ্ছিন্নভাবে লেখালেখি ও গবেষণায় মনোনিবেশ করতে সহায়তা করেছে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোহরাব হাসান তার বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রবাসে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তিনি অনুভব করেছেন, তা তার জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি উল্লেখ করেন, সিডনির বাংলা কমিউনিটির এই আন্তরিক সম্মান তিনি আজীবন স্মরণে রাখবেন।

উল্লেখ্য, সোহরাব হাসান বাংলাদেশের প্রথম আলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে বাংলা নিউজ পোর্টাল চরচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চরচায় তিনি বিশদ বিশ্লেষণ, মতামত ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকদের কাছে তথ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। তার সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতা প্রায় চার দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত, যা তাকে সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক বিশ্লেষণে একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি দান করেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।