
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. রহমত উল্লাহ।

বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ইকবাল ইউসুফ টুটুল, ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল আলম, কাউন্সিলর এলিজা আজাদ রহমান, মাসুদ খলিল ও আশিকুর রহমান; বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. সিরাজুল হক, কমিউনিটি নেতা শেখ শামীম ও গামা কাদির; গাউছুল আলম শাহজাদা, আল নোমান শামিম, দিদার হোসেন ও সাংবাদিক নেতা মো. আবদুল মতিন প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন আবু তাহের।

সভাপতির বক্তব্যে মো. রহমত উল্লাহ বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নীতি আদর্শ বজায় রেখে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সিরাজুল হক বলেন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের নামে যেসব পুলিশ হত্যা করা হয়েছে তাদের বিচার করতে হবে। তিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্র উত্তরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. রহমত উল্লাহ।

বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ইকবাল ইউসুফ টুটুল, ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল আলম, কাউন্সিলর এলিজা আজাদ রহমান, মাসুদ খলিল ও আশিকুর রহমান; বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. সিরাজুল হক, কমিউনিটি নেতা শেখ শামীম ও গামা কাদির; গাউছুল আলম শাহজাদা, আল নোমান শামিম, দিদার হোসেন ও সাংবাদিক নেতা মো. আবদুল মতিন প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন আবু তাহের।

সভাপতির বক্তব্যে মো. রহমত উল্লাহ বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নীতি আদর্শ বজায় রেখে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সিরাজুল হক বলেন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের নামে যেসব পুলিশ হত্যা করা হয়েছে তাদের বিচার করতে হবে। তিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্র উত্তরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মো. রহমত উল্লাহ বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নীতি আদর্শ বজায় রেখে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সিরাজুল হক বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করা জরুরি।
ইফতার পূর্ব সভায় সভাপতি ইসকান্দর মনি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত বছরে সম্পন্ন করা প্রবাসীদের কল্যাণে ও মানবসেবামূলক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন।
আলোচনা পর্বে ভ্যানক্যুভারে বসবাসরত একজন মুক্তিযোদ্ধাসহ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শ্রদ্ধাভাজন সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্য দেন।