
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপন উপলক্ষে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জমকালো বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশি এক্সপ্যাটস ইন মালয়েশিয়ার (বিডি এক্সপ্যাটস) আয়োজনে কুয়ালালামপুর-সেলাঙ্গর চাইনিজ অ্যাসেম্ব্যালি হল প্রাঙ্গণে ১৩ বৈশাখ (২৬ এপ্রিল) শনিবার দিনব্যাপী এই মেলা বসে।
মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। সেই সাথে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ।
সকাল ১১টায় শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে ছিল নানা ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারসহ মেলায় অংশগ্রহণ করেন। দিনভর মেলার পরিবেশ ছিল দেশীয় উৎসবের উচ্ছ্বাস ও বাঙালিয়ানার প্রাণময়তায় ভরপুর। বিকেল ৩টার মধ্যেই মেলা প্রাঙ্গণ উপচে পড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়ে।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান এবং অন্য অতিথিদের উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়। বিডি এক্সপ্যাটসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান রিয়াজ, কার্যনির্বাহী সদস্য ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, পাভেল সারওয়ার, ডা. তানিয়া ইসলাম, মেলা কমিটির সদস্য সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ হাইকমিশনারের সঙ্গে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্বে বৈশাখী মেলা ১৪৩২ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কার্যনির্বাহী সদস্য অসীম সাহা রায় ও সদস্য সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় মেলার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান মেলার উদ্বোধন ঘোষণার পাশাপাশি কবি পারিসা ইসলাম খান সম্পাদিত 'প্রবাসের খেরোখাতা' শিরোনামে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। সে সময় হাইকমিশনারের স্ত্রী পেন্ডোরা চৌধুরীসহ আয়োজক কমিটির সকল সদস্য মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
মেলার সার্বিক উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন অসীম সাহা রায় ও কণ্ঠশিল্পী ড. মারজিয়া জান্নাত মহুয়া।
প্রায় ৫ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণে মুখরিত এই মেলায় শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিস্কুট দৌড়, বল পাসিং, কাপল গেমস, সংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং চিঠি পাঠের মতো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্যাপন কমিটির সদস্যরা হলেন মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান রিয়াজ, ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, অসীম সাহা রায়, ডা. তানিয়া ইসলাম, পাভেল সারওয়ার, কবি পারিসা ইসলাম খান, শাহ নেওয়াজ খান রেজা, আফরীন জাহান, শামীমা, নিয়ান সাহা, সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী, সংগীত শিল্পী ড. মারজিয়া জান্নাত মহুয়া, তামিমুল হুদা, রিবো আলম এবং আফনান জাফর।
মেলায় টাইটেল স্পনসর হিসেবে ছিল বাংলাদেশের সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফার। প্রতিষ্ঠানটি আয়োজিত র্যাফেল ড্র-তে ৩টি রিটার্ন কাপল টিকিট প্রদান করে। র্যাফেল ড্র-তে সিবিএল মানি ট্র্যান্সফারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাঈদুর রহমান ফারাজী উপস্থিত ছিলেন।

অন্য স্পন্সরদের মধ্যে ছিলেন ব্রাইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, এনবিএল মানি ট্রান্সফার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সানওয়ে মেডিকেল সেন্টার, ই-স্মার্টওয়ে এসডিএন বিএইচডি, এনবিএল মানি ট্রান্সফার, মেডিলিংক গ্লোবাল (মালয়েশিয়া) এসডিএন বিএইচডি এবং জেএমজি কার্গো অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিসেস এসডিএন বিএইচডি।
মেলায় ফুড পার্টনার ছিল ভিআইপি পিঠা ঘর, প্রিন্টিং পার্টনার স্মার্ট ডিজাইন অ্যান্ড প্রিন্টিং সল্যুশন এবং কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (BSOM) এবং ফটোগ্রাফি পার্টনার ছিল ক্লিকস অব শাওন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপন উপলক্ষে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জমকালো বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশি এক্সপ্যাটস ইন মালয়েশিয়ার (বিডি এক্সপ্যাটস) আয়োজনে কুয়ালালামপুর-সেলাঙ্গর চাইনিজ অ্যাসেম্ব্যালি হল প্রাঙ্গণে ১৩ বৈশাখ (২৬ এপ্রিল) শনিবার দিনব্যাপী এই মেলা বসে।
মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। সেই সাথে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ।
সকাল ১১টায় শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে ছিল নানা ধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারসহ মেলায় অংশগ্রহণ করেন। দিনভর মেলার পরিবেশ ছিল দেশীয় উৎসবের উচ্ছ্বাস ও বাঙালিয়ানার প্রাণময়তায় ভরপুর। বিকেল ৩টার মধ্যেই মেলা প্রাঙ্গণ উপচে পড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়ে।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান এবং অন্য অতিথিদের উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়। বিডি এক্সপ্যাটসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান রিয়াজ, কার্যনির্বাহী সদস্য ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, পাভেল সারওয়ার, ডা. তানিয়া ইসলাম, মেলা কমিটির সদস্য সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ হাইকমিশনারের সঙ্গে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্বে বৈশাখী মেলা ১৪৩২ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কার্যনির্বাহী সদস্য অসীম সাহা রায় ও সদস্য সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় মেলার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান মেলার উদ্বোধন ঘোষণার পাশাপাশি কবি পারিসা ইসলাম খান সম্পাদিত 'প্রবাসের খেরোখাতা' শিরোনামে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। সে সময় হাইকমিশনারের স্ত্রী পেন্ডোরা চৌধুরীসহ আয়োজক কমিটির সকল সদস্য মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
মেলার সার্বিক উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন অসীম সাহা রায় ও কণ্ঠশিল্পী ড. মারজিয়া জান্নাত মহুয়া।
প্রায় ৫ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণে মুখরিত এই মেলায় শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিস্কুট দৌড়, বল পাসিং, কাপল গেমস, সংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং চিঠি পাঠের মতো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্যাপন কমিটির সদস্যরা হলেন মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান রিয়াজ, ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, অসীম সাহা রায়, ডা. তানিয়া ইসলাম, পাভেল সারওয়ার, কবি পারিসা ইসলাম খান, শাহ নেওয়াজ খান রেজা, আফরীন জাহান, শামীমা, নিয়ান সাহা, সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী, সংগীত শিল্পী ড. মারজিয়া জান্নাত মহুয়া, তামিমুল হুদা, রিবো আলম এবং আফনান জাফর।
মেলায় টাইটেল স্পনসর হিসেবে ছিল বাংলাদেশের সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফার। প্রতিষ্ঠানটি আয়োজিত র্যাফেল ড্র-তে ৩টি রিটার্ন কাপল টিকিট প্রদান করে। র্যাফেল ড্র-তে সিবিএল মানি ট্র্যান্সফারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাঈদুর রহমান ফারাজী উপস্থিত ছিলেন।

অন্য স্পন্সরদের মধ্যে ছিলেন ব্রাইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, এনবিএল মানি ট্রান্সফার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সানওয়ে মেডিকেল সেন্টার, ই-স্মার্টওয়ে এসডিএন বিএইচডি, এনবিএল মানি ট্রান্সফার, মেডিলিংক গ্লোবাল (মালয়েশিয়া) এসডিএন বিএইচডি এবং জেএমজি কার্গো অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিসেস এসডিএন বিএইচডি।
মেলায় ফুড পার্টনার ছিল ভিআইপি পিঠা ঘর, প্রিন্টিং পার্টনার স্মার্ট ডিজাইন অ্যান্ড প্রিন্টিং সল্যুশন এবং কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (BSOM) এবং ফটোগ্রাফি পার্টনার ছিল ক্লিকস অব শাওন।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে