
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে তিন দিনব্যাপী (২৮-৩০ নভেম্বর) ১৯তম ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডিং শোকেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের সহযোগিতায় ইএস ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এ মেলার আয়োজন করে।
মেলায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বরাদ্দ করা বুথে বাংলাদেশের খাদ্য, পানীয় ও ভোগ্যপণ্য ব্র্যান্ড ‘প্রাণ’ অংশগ্রহণ করে এবং তাদের গৃহস্থালি ও ভোক্তা পণ্য এবং খাদ্য ও পানীয় প্রদর্শন করে।
প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পরিবেশক বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করে পণ্যসামগ্রী নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) মেলার সমাপনী দিনে বাংলাদেশ স্টল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ।
পরিদর্শনকালে তিনি বাংলাদেশের স্টলে আগত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে তাদের সহযোগিতা চান।
এ ছাড়া, তিনি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন পরামর্শ এবং হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন পণ্যসাসামগ্রী নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’কে ধন্যবাদ জানান।
এ বারের ব্র্যান্ডিং শোকেসে ফ্যাশন-অ্যাপারেল, ফেব্রিক, চামড়াজাত পণ্য, গৃহস্থালি পণ্য, উপহার, ভোক্তাপণ্য এবং খাদ্য ও পানীয় ক্যাটাগরিতে ১০টি দেশ ৩০০টি বুথের মাধ্যমে পণ্য প্রদর্শনী করেছে।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে তিন দিনব্যাপী (২৮-৩০ নভেম্বর) ১৯তম ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডিং শোকেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের সহযোগিতায় ইএস ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এ মেলার আয়োজন করে।
মেলায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে বরাদ্দ করা বুথে বাংলাদেশের খাদ্য, পানীয় ও ভোগ্যপণ্য ব্র্যান্ড ‘প্রাণ’ অংশগ্রহণ করে এবং তাদের গৃহস্থালি ও ভোক্তা পণ্য এবং খাদ্য ও পানীয় প্রদর্শন করে।
প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পরিবেশক বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করে পণ্যসামগ্রী নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) মেলার সমাপনী দিনে বাংলাদেশ স্টল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ।
পরিদর্শনকালে তিনি বাংলাদেশের স্টলে আগত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে তাদের সহযোগিতা চান।
এ ছাড়া, তিনি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন পরামর্শ এবং হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন পণ্যসাসামগ্রী নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’কে ধন্যবাদ জানান।
এ বারের ব্র্যান্ডিং শোকেসে ফ্যাশন-অ্যাপারেল, ফেব্রিক, চামড়াজাত পণ্য, গৃহস্থালি পণ্য, উপহার, ভোক্তাপণ্য এবং খাদ্য ও পানীয় ক্যাটাগরিতে ১০টি দেশ ৩০০টি বুথের মাধ্যমে পণ্য প্রদর্শনী করেছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।