
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ অক্টোবর। আসন্ন এজিএম ও নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউখ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোর জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ জমিদার বাড়িতে এক কর্মপরিকল্পনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সংগঠনের নতুন কমিটির প্রস্তাবিত সভাপতি মনিরুল হক জর্জ ও প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ইসলাম বাবুসহ সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় নির্বাচনের প্রস্তুতি, কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনা, সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রধান সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দুপুরের খাবারের পর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ অক্টোবর। আসন্ন এজিএম ও নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউখ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোর জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ জমিদার বাড়িতে এক কর্মপরিকল্পনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সংগঠনের নতুন কমিটির প্রস্তাবিত সভাপতি মনিরুল হক জর্জ ও প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ইসলাম বাবুসহ সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় নির্বাচনের প্রস্তুতি, কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনা, সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রধান সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দুপুরের খাবারের পর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।