মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আগামী পৃথিবী মৌলিকভাবে ভিন্ন হবে। আজ যা আমরা কল্পনাও করতে পারছি না, সেটাই বাস্তবতায় পরিণত হবে। পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। এই বৈশ্বিক গতির সঙ্গে যদি আমরা নিজেদের গতি বাড়াতে ও সামঞ্জস্য আনতে না পারি, তাহলে আমরা কতটা পিছিয়ে পড়ব, তা ভেবে দেখা দরকার।”
গত শনিবার (৯ আগস্ট) লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিপলস প্যালেস হলে সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্লোবাল ইউথ সামিট ২০২৫। এতে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশি তরুণ পেশাজীবী, গবেষক এবং তরুণ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।
প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণার্থী তরুণেরা ১২টি খাতের প্রশিক্ষণ পাবে। প্রশিক্ষণ চলাকালে থাকা-খাওয়ার সব খরচ প্রকল্প থেকে বহন করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। বাকি ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক অঞ্চলের তরুণেরা।
দেশ নিয়ে গর্ব বোধ করা কিংবা দেশ নিয়ে আশাবাদী হয়ে ওঠার প্রবণতা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্রমেই কমছে। তরুণদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও চাকরির প্রয়োজনে বিদেশে যেতে চায়।