
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজনীতি, নির্বাচন ও সংস্কারের মতো বিষয়গুলোকে সংলাপের মধ্য দিয়েই এগিয়ে নিতে হবে বলে মত দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের বৈঠক ও পরবর্তী পরিস্থিতি বেশ স্বস্তিকর মনে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন রিজওয়ানা হাসান।
আজ রোববার (১৫ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমার কাছে পরিস্থিতিটা বেশ স্বস্তিকর মনে হচ্ছে। এখন রাজনৈতিক দলগুলো যার যার অবস্থান থেকে কথা বলবে। রাজনৈতিক দলগুলোর [নেতারা] যদি কোনো কথা বলেন সেটা ওনারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেই নিশ্চয়ই বলবেন।’
নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিএনপির এক ধরনের টানাপোড়েন ছিল, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সেটির অবসান হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘আসলে তেমন কিছু ছিল বলে তো মনে করি না। প্রক্রিয়াটা এমন যে, আপনি রাজনীতি বলেন, নির্বাচন বলেন, গণতন্ত্র বলেন, আর সংস্কারই বলেন, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সংলাপের মাধ্যমে এগোতে হবে। তাই সংলাপটা হচ্ছে এটাকেই একটা সুসংবাদ মনে করি।’

রাজনীতি, নির্বাচন ও সংস্কারের মতো বিষয়গুলোকে সংলাপের মধ্য দিয়েই এগিয়ে নিতে হবে বলে মত দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের বৈঠক ও পরবর্তী পরিস্থিতি বেশ স্বস্তিকর মনে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন রিজওয়ানা হাসান।
আজ রোববার (১৫ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমার কাছে পরিস্থিতিটা বেশ স্বস্তিকর মনে হচ্ছে। এখন রাজনৈতিক দলগুলো যার যার অবস্থান থেকে কথা বলবে। রাজনৈতিক দলগুলোর [নেতারা] যদি কোনো কথা বলেন সেটা ওনারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেই নিশ্চয়ই বলবেন।’
নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিএনপির এক ধরনের টানাপোড়েন ছিল, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সেটির অবসান হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘আসলে তেমন কিছু ছিল বলে তো মনে করি না। প্রক্রিয়াটা এমন যে, আপনি রাজনীতি বলেন, নির্বাচন বলেন, গণতন্ত্র বলেন, আর সংস্কারই বলেন, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সংলাপের মাধ্যমে এগোতে হবে। তাই সংলাপটা হচ্ছে এটাকেই একটা সুসংবাদ মনে করি।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।