সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তারা ভবিষ্যতে প্রবাসীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ ও কূটনৈতিক মহলে যোগাযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানান। সম্মেলনের শেষে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেসব কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ধারণকৃত সব ফুটেজ ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ফুটেজগুলো সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদে রাখা হবে।
এই নির্বাচন কেবল আসনসংখ্যার হিসাব নয়; এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনারও ইঙ্গিত। তরুণ প্রজন্ম, ডিজিটাল রাজনীতি এবং সুশাসনের প্রশ্ন এখন নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দু। সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের জন্যই এটি আত্মসমালোচনা ও নীতিগত পুনর্গঠনের সময়।
সিলেট–৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এম এ মালিক। সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এবং মৌলভীবাজার–২ (কুলাউড়া) আসনে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মো. সওকতুল ইসলাম মনোনয়ন পান।
তিনি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত নিরলস প্রচারণা চালিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো রাজনৈতিক নেতার সহধর্মিণীর এমন সক্রিয় ও দীর্ঘ সময় মাঠে থাকার নজির খুব কমই দেখা যায়। তিনি শুধু মঞ্চে ভাষণ দেননি; তিনি মানুষের পাশে বসেছেন, তাদের কথা শুনেছেন।
তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের, গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছে।”
গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে একযোগে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব মতে, এবারের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৯.৪৪%। গণভোটে হ্যা ভোট দিয়েছেন ৪,৮০,৭৪,৪২৯ জন এবং ২,২৫,৬৫,৬২৭ জন না ভোট দিয়েছেন। গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৬০.২৬ শতাংশ।
বার্তায় বলা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।”
নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের দিকে নেতৃত্ব দেওয়ায় আমি মি. তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।”
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে চলে ভোটগ্রহণ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ভোটের বেসরকারিভাবে পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৯টি আসনের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০৭ আসন পেয়েছে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত প্রার্থীরা।
২০২৪ সালে ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম দেশে বড় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার সংসদ প্রতিনিধি নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এতে বলা হয় ভোটাররা কেবল নতুন সরকারই নির্বাচন করবেন না, তারা একটি সাংবিধানিক গণভোটেও অংশ নেবেন, যেখানে ‘জুলাই সনদ’ নামে ব্যাপক সংস্কার প্যাকেজ বাস্তবায়িত হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেছেন প্রবাসীরা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবারের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পোশাকে গোপন ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোটও হচ্ছে। এই দুই ভোটে আগামী পাঁচ বছর কারা দেশ পরিচালনা করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত ব্যবস্থাগুলোর সংস্কারের বিষয়ে জনসমর্থন চাওয়া হবে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ জন এবং দেশের ৫টি জেলার ১৭টি আসনে নৌবাহিনীর ৫ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকে ১ হাজার ২১০ প্লাটুন, অর্থাৎ ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৭৯ জন ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬১৯ জন। এ ছাড়া, ৫ লাখ ৭ হাজার ৩২৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
স্বাধীনতার পর আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম এক ন্যায়ভিত্তিক সমাজের—যেখানে উর্বর মাটি, কর্মশক্তি ও মানবিক মর্যাদা মিলেমিশে উন্নতির পথ দেখাবে। ‘সোনার বাংলা’ নামে পরিচিত এই দেশে প্রত্যেক শিশুর চোখে থাকবে আলো, প্রত্যেক হৃদয়ে থাকবে সম্ভাবনা।

চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেসব কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ধারণকৃত সব ফুটেজ ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ফুটেজগুলো সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদে রাখা হবে।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এতে বলা হয় ভোটাররা কেবল নতুন সরকারই নির্বাচন করবেন না, তারা একটি সাংবিধানিক গণভোটেও অংশ নেবেন, যেখানে ‘জুলাই সনদ’ নামে ব্যাপক সংস্কার প্যাকেজ বাস্তবায়িত হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেছেন প্রবাসীরা।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৭৯ জন ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬১৯ জন। এ ছাড়া, ৫ লাখ ৭ হাজার ৩২৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬