logo
খবর

কৌশলগত বিনিয়োগ বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে: সৌদি রাষ্ট্রদূত

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক৫ ঘণ্টা আগে
Copied!
কৌশলগত বিনিয়োগ বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে: সৌদি রাষ্ট্রদূত
সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ বিন আবিয়াহ

বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ বিন আবিয়াহ বলেছেন, তারা কৌশলগত বিনিয়োগ, শিল্পখাতে অংশীদারত্ব এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব প্রত্যাশা করছেন। তার মতে, আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশ-সৌদি অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘রূপান্তরমূলক অধ্যায়’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির এ কে এম মঈনুদ্দীনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গতিশীল বিনিয়োগ গন্তব্য। ১৭ কোটিরও বেশি মানুষের বাজার এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে এর কৌশলগত অবস্থান এটিকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।”

তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ-সৌদি অংশীদারত্ব জনশক্তি সহযোগিতা ও জ্বালানি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহর মতে, জ্বালানি অবকাঠামো, এলএনজি, তেল পরিশোধন, স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধশিল্প এবং খাদ্যনিরাপত্তা উদ্যোগ বিশেষ সম্ভাবনাময় খাত।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অর্থায়ন ও জ্বালানি সহযোগিতা উদ্যোগগুলো অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের শক্তিশালী সম্ভাবনার প্রমাণ দিচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, যা আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং জনগণের পারস্পরিক বন্ধনের শক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

তিনি জানান, জ্বালানি, পেট্রোকেমিকেল, তেল পরিশোধন, লজিস্টিকস, বন্দর, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে সৌদি বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে এবং বিনিয়োগবান্ধব সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

ভিশন ২০৩০

আরেক প্রশ্নের উত্তরে ড. আবদুল্লাহ বলেন, সৌদি ভিশন ২০৩০ ঐতিহ্যগত নির্মাণ ও গৃহস্থালি সেবাখাতের বাইরে বহু ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা ইতিমধ্যে নিষ্ঠা, অভিযোজনক্ষমতা এবং পেশাদারত্বের জন্য সুপরিচিত।

তিনি বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, আতিথেয়তা, পর্যটন, লজিস্টিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উৎপাদনশিল্প, পরিবহন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে দক্ষ ও আধা-দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের চাহিদা বাড়ছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

রাষ্ট্রদূত জানান, উদীয়মান শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে কর্মীদের দক্ষতার সামঞ্জস্য আনতে বাংলাদেশি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং সৌদি নিয়োগদাতাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা উৎসাহিত করছে দূতাবাস।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো সৌদি আরবে অভিবাসনকারী দক্ষ কর্মীর হার বৃদ্ধি করা, যাতে উৎপাদনশীলতা, মজুরি এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মজীবনের সম্ভাবনা বাড়ে।”

অভিবাসন ব্যয় কমানো

রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ তাদের সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম।

সৌদি আরবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায় বসবাস করে। বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি নাগরিক সেখানে কাজ ও বসবাস করছেন।

তিনি বলেন, “তাদের অবদান সৌদি অর্থনীতি এবং বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও মানবসম্পদ সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৭০ কোটি আমেরিকান ডলারের বেশি ছিল।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, যা অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের শক্তি এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”

তিনি জানান, দূতাবাস ও কনস্যুলেট জেনারেল নিয়মিত সৌদি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, যাতে কর্মীরা চাকরিসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহায়তা পান এবং প্রয়োজন হলে আইনি ও কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, “সৌদি আরবের চলমান শ্রমবাজার সংস্কারকে আমরা স্বাগত জানাই, যা প্রবাসী কর্মীদের চলাচল, স্বচ্ছতা এবং সুরক্ষা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।”

বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতা

রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি “অসাধারণ সম্পর্ক” বিদ্যমান, যা অভিন্ন ইসলামী মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং দীর্ঘদিনের জনগণভিত্তিক সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে এই অংশীদারত্ব ঐতিহ্যগত শ্রম ও উন্নয়নভিত্তিক সম্পর্ক থেকে বিস্তৃত হয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ‘বৃহত্তর কৌশলগত সহযোগিতায়’ পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সৌদি আরব বাংলাদেশি বিদেশগামী কর্মীদের সবচেয়ে বড় গন্তব্য এবং দেশের অন্যতম প্রধান রেমিট্যান্স উৎস।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

ভবিষ্যতের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে তিনি বিনিয়োগ উন্নয়ন, জ্বালানি সহযোগিতা, খাদ্যনিরাপত্তা, লজিস্টিকস, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধশিল্প, পর্যটন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে।”

সৌদি আরবে অনিয়মিত অভিবাসী

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ তার নাগরিকদের সৌদি আরবের আবাসন, কর্মসংস্থান ও অভিবাসনসংক্রান্ত আইন ও বিধিবিধান পুরোপুরি মেনে চলতে উৎসাহিত করে।

তিনি বলেন, সৌদি সরকার সময় সময় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে অনিয়মিত অবস্থানে থাকা ব্যক্তিরা আইনগত প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান বৈধ করতে বা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, দূতাবাস বাংলাদেশি নাগরিকদের কনস্যুলার সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনসম্মত ও মানবিক সমাধান নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, তারা অনিয়মিত অভিবাসনকে নিরুৎসাহিত করেন এবং অনুমোদনবিহীন কর্মসংস্থান ও বসবাসের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়িয়ে চলেছেন।

হজ ও ওমরাহ

রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বলেন, হজ ও ওমরাহ সম্পর্ক বাংলাদেশ-সৌদি সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, স্মার্ট সেবা, উন্নত পরিবহন নেটওয়ার্ক, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধার মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণে সৌদি আরব যে অসাধারণ উদ্যোগ নিয়েছে, আমরা তার উচ্চ প্রশংসা করি।”

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, সমন্বয়ব্যবস্থা উন্নয়ন, ভিসা ও ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজীকরণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে যে পরিবর্তন এসেছে, তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজিদের জন্য সেবার মান ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

স্থিতিশীলতা উন্নয়নে ভূমিকা

রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে শান্তি, সংযম, সংলাপ এবং গঠনমূলক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আসছে।

তিনি বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং বহুপক্ষীয় দীর্ঘ ঐতিহ্যের কারণে বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক অবদান রাখছে।

তিনি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠা, উগ্রবাদ মোকাবিলা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং ইসলামী বিশ্বের সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সংলাপ, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা এবং সংঘাত প্রতিরোধে আমাদের দেশ দুটি একসঙ্গে কাজ করতে পারে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, ওআইসি, জাতিসংঘ এবং অন্য বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে দুই দেশের সহযোগিতার দৃঢ় ইতিহাস রয়েছে।

আগামী বছরগুলোতে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, খাদ্যনিরাপত্তা, জ্বালানি রূপান্তর, মানবিক সহায়তা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য, ডিজিটাল রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সংস্কারের মতো বিষয়ে যৌথ মনোযোগ বাড়ানো যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও সৌদি আরব উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করতে এবং সংলাপ, সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে পারে।”

রাষ্ট্রদূতের মতে, দুই দেশের অংশীদারত্ব প্রমাণ করে যে ইসলামী বিশ্বের দেশগুলো আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

রোহিঙ্গা শরণার্থী

রাষ্ট্রদূত বলেন, ইসলামি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে সৌদি আরব মানবিক সহায়তা, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা, আন্তর্জাতিক ফোরামে পক্ষে অবস্থান গ্রহণ এবং সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সমর্থনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বও এ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখতে এবং স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগকে সমর্থন করতে পারে।”

তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

রাষ্ট্রদূতের মতে, রোহিঙ্গা সংকট এখনো বিশ্বের অন্যতম বড় মানবিক চ্যালেঞ্জ এবং এর টেকসই সমাধান নির্ভর করে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ীভাবে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ওপর।

আরও দেখুন

কৌশলগত বিনিয়োগ বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে: সৌদি রাষ্ট্রদূত

কৌশলগত বিনিয়োগ বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে: সৌদি রাষ্ট্রদূত

রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”

৫ ঘণ্টা আগে

ঝিনাইদহে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রবাসী নিহত

ঝিনাইদহে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রবাসী নিহত

পুলিশ জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের একটি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে ইজিবাইকযোগে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন কামরুজ্জামান। পথিমধ্যে ইজিবাইকটি বয়ড়াতলা বাজারে পৌছালে মাটি বোঝাই একটি দ্রুতগতির ট্রাক্টর ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কামরুজ্জামানসহ আরও একজন গুরুতর আহত হন।

১ দিন আগে

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

তারেক রহমান অনিয়মিত (অবৈধ) কর্মীদের বৈধকরণ এবং সম্ভব হলে আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিও উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী হয় এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় হ্রাস পায়, সে বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

২ দিন আগে

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

৩ দিন আগে