
প্রতিবেদক, বিডিজেন

দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুই দশক পর সরকর গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ভোটের বেসরকারিভাবে পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৯টি আসনের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০৭ আসন পেয়েছে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত প্রার্থীরা।
২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তার এক সময়ের জোট সঙ্গী জামায়াতে ইসলামী। যে দলটিকে সঙ্গে নিয়ে নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে চারদলীয় জোট গঠন করেছিল বিএনপি। সেই চারদলীয় জোট ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে।
২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত শেষবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি। এরপর নানা নাটকীয়তার মধ্যে ক্ষমতায় আসে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধয়াক সরকার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। সংসদে বিএনপি বসে বিরোধী দলের আসনে। এরপর টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকে আওয়ামী লীগ। দলটির ক্ষমতাকালীন ৩টি বিতর্কিত নির্বাচনের ২টি বর্জন করে বিএনপি।
সবশেষ বিএনপি যখন সরকার গঠন করে তখন দলের নেতৃত্বে ছিলেন খালেদা জিয়া। এবারের ভোটের প্রায় দেড় মাস আগে প্রয়াত হন তিনি।
খালেদা জিয়ার মারা যাওয়ার পাঁচ দিন আগে ১৭ বছর পর দেশে ফিরে দলের হাল ধরেন তার ছেলে তারেক রহমান। মায়ের মৃত্যুর পর দলের চেয়ারম্যান হয়ে ভোটযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন তিনি।
জামায়াতকে বাদ দিয়ে ভোটের মাঠে বিএনপি এবার সঙ্গী করেছিল তাদের অনেক দিনের আন্দোলনের সঙ্গী বেশ কিছু দলকে। দলগুলোর জন্য কিছু আসনও ছেড়ে দেয় দলটি। নির্বাচনী আইনের পরিবর্তনের কারণে সেই দলগুলোর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করতে পারেননি। তবুও বিএনপি সমর্থিত ভিন্ন দলের প্রার্থীদের কয়েকজন নির্বাচনে জয় তুলে নিয়েছেন।

দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুই দশক পর সরকর গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ভোটের বেসরকারিভাবে পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৯টি আসনের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০৭ আসন পেয়েছে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত প্রার্থীরা।
২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তার এক সময়ের জোট সঙ্গী জামায়াতে ইসলামী। যে দলটিকে সঙ্গে নিয়ে নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে চারদলীয় জোট গঠন করেছিল বিএনপি। সেই চারদলীয় জোট ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে।
২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত শেষবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি। এরপর নানা নাটকীয়তার মধ্যে ক্ষমতায় আসে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধয়াক সরকার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। সংসদে বিএনপি বসে বিরোধী দলের আসনে। এরপর টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকে আওয়ামী লীগ। দলটির ক্ষমতাকালীন ৩টি বিতর্কিত নির্বাচনের ২টি বর্জন করে বিএনপি।
সবশেষ বিএনপি যখন সরকার গঠন করে তখন দলের নেতৃত্বে ছিলেন খালেদা জিয়া। এবারের ভোটের প্রায় দেড় মাস আগে প্রয়াত হন তিনি।
খালেদা জিয়ার মারা যাওয়ার পাঁচ দিন আগে ১৭ বছর পর দেশে ফিরে দলের হাল ধরেন তার ছেলে তারেক রহমান। মায়ের মৃত্যুর পর দলের চেয়ারম্যান হয়ে ভোটযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন তিনি।
জামায়াতকে বাদ দিয়ে ভোটের মাঠে বিএনপি এবার সঙ্গী করেছিল তাদের অনেক দিনের আন্দোলনের সঙ্গী বেশ কিছু দলকে। দলগুলোর জন্য কিছু আসনও ছেড়ে দেয় দলটি। নির্বাচনী আইনের পরিবর্তনের কারণে সেই দলগুলোর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করতে পারেননি। তবুও বিএনপি সমর্থিত ভিন্ন দলের প্রার্থীদের কয়েকজন নির্বাচনে জয় তুলে নিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব মতে, এবারের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৯.৪৪%। গণভোটে হ্যা ভোট দিয়েছেন ৪,৮০,৭৪,৪২৯ জন এবং ২,২৫,৬৫,৬২৭ জন না ভোট দিয়েছেন। গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৬০.২৬ শতাংশ।
বার্তায় বলা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।”
নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের দিকে নেতৃত্ব দেওয়ায় আমি মি. তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।”
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতেও আগ্রহী পাকিস্তান।