
প্রতিবেদক, বিডিজেন

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
শুক্রবার (৬ জুন) এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘যাক, অবশেষে জাতীয় নির্বাচনের একটা সুনির্দিষ্ট সময় পাওয়া গেল। এটা একটা অগ্রগতি বলে মনে হয়। তবে এখানে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এবং আমরা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে যেটা বুঝেছি, তাতে তারা এ বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন দেখতে চায়। আমরাও তা-ই চাই। কেন কালক্ষেপণ করে এপ্রিলে নির্বাচনের কথা বলছেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।’
সিপিবি সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশনকে এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হবে এবং তার আগে অবাধ গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করবেন। এটা করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া। এ বিষয়ে আমাদের দলের প্রেসিডিয়াম, বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
শুক্রবার (৬ জুন) এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘যাক, অবশেষে জাতীয় নির্বাচনের একটা সুনির্দিষ্ট সময় পাওয়া গেল। এটা একটা অগ্রগতি বলে মনে হয়। তবে এখানে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এবং আমরা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে যেটা বুঝেছি, তাতে তারা এ বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন দেখতে চায়। আমরাও তা-ই চাই। কেন কালক্ষেপণ করে এপ্রিলে নির্বাচনের কথা বলছেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।’
সিপিবি সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশনকে এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হবে এবং তার আগে অবাধ গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করবেন। এটা করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া। এ বিষয়ে আমাদের দলের প্রেসিডিয়াম, বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।