
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রবাসী বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এক বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ জানান, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার থাকছে না। এ ছাড়া, নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে শাপলা না রাখা এবং নতুন দল নিবন্ধনের আবেদনে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসির অস্টম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অংশ নেন ৪ কমিশনার, কমিশনের সচিব ও কর্মকর্তারা।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, নির্বাচন কর্মকর্তা আইন সংশোধন, প্রার্থীর হলফনামা পরিমার্জনসহ আইনি সংস্কারের মতো একগুচ্ছ সুপারিশ চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারবেন হবে প্রবাসী ভোটারেরা।
আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবারে ভোট দেবেন এবং ভোটের পদ্ধতি হবে পোস্টাল ব্যালট। পোস্টাল ব্যালটে যে সীমাবদ্ধতা ছিল সে সীমাবদ্ধতা কাটানোর জন্য এখন এই পোস্টাল ব্যালট হবে আইটি সার্পোটেড।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম এর ব্যবহার থাকছে না বলেও জানান তিনি।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না। আজকে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি এটা কোনো স্থানীয় নির্বাচনেও ব্যবহার হবে না।’
প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে শাপলাকে তালিকায় রাখেনি নির্বাচন কমিশন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘নাগরিক ঐক্য আমাদের কাছে তাদের প্রতীক পরিবর্তন করে আবেদন করে। এটা তারা করতে পারে যেহেতু আরপিওতে দেওয়া আছে। আর ২২ জুন আবেদন করেছে নিবন্ধন প্রার্থী এনসিপি। সুতরাং দুটো দল এখানে প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়েছে। নির্বাচন কমিশন সব কিছু বিবেচনা করে শাপলা তালিকা ভুক্ত করেনি।’
এ ছাড়াও নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এক বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ জানান, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার থাকছে না। এ ছাড়া, নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে শাপলা না রাখা এবং নতুন দল নিবন্ধনের আবেদনে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসির অস্টম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অংশ নেন ৪ কমিশনার, কমিশনের সচিব ও কর্মকর্তারা।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, নির্বাচন কর্মকর্তা আইন সংশোধন, প্রার্থীর হলফনামা পরিমার্জনসহ আইনি সংস্কারের মতো একগুচ্ছ সুপারিশ চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারবেন হবে প্রবাসী ভোটারেরা।
আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবারে ভোট দেবেন এবং ভোটের পদ্ধতি হবে পোস্টাল ব্যালট। পোস্টাল ব্যালটে যে সীমাবদ্ধতা ছিল সে সীমাবদ্ধতা কাটানোর জন্য এখন এই পোস্টাল ব্যালট হবে আইটি সার্পোটেড।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম এর ব্যবহার থাকছে না বলেও জানান তিনি।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না। আজকে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি এটা কোনো স্থানীয় নির্বাচনেও ব্যবহার হবে না।’
প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে শাপলাকে তালিকায় রাখেনি নির্বাচন কমিশন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘নাগরিক ঐক্য আমাদের কাছে তাদের প্রতীক পরিবর্তন করে আবেদন করে। এটা তারা করতে পারে যেহেতু আরপিওতে দেওয়া আছে। আর ২২ জুন আবেদন করেছে নিবন্ধন প্রার্থী এনসিপি। সুতরাং দুটো দল এখানে প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়েছে। নির্বাচন কমিশন সব কিছু বিবেচনা করে শাপলা তালিকা ভুক্ত করেনি।’
এ ছাড়াও নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।