
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স। তারা বলেছে, আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে; তা না হলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ করা হবে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্সের উত্তর আমেরিকাবিষয়ক সমন্বয়ক তারিক আদনান মুন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দেড় কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির শ্রম, মেধা ও রেমিট্যান্সে বাংলাদেশ চলমান। অথচ এখনো তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শুধু একটি-দুটি দেশে সীমিত পাইলট প্রকল্প চালুর কথা বলা হচ্ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।
আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরু ও একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে। যারা এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি কিংবা নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে চান, তাদের জন্য বিদেশ থেকেই তথ্য হালনাগাদ ও নিবন্ধনের সুযোগ রাখতে হবে।
প্রবাসীদের ব্যালট কীভাবে পাঠানো হবে, কোথায় পাঠাতে হবে, কীভাবে যাচাই ও গণনা করা হবে—এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে নির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রকাশ করতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মনিটরিং ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও থাকা দরকার।
এ সময় প্রবাসীদের ভোটাধিকারসংক্রান্ত নীতিমালা ও প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ, আইনজীবী ও প্রবাসী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা বলেন তিনি।
এসব দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে তারিক আদনান জানান, আজ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত প্রবাসীদের নিয়ে একটি অনলাইন ক্যাম্পেইন ও ‘আমার ভোট আমি দেব-প্রবাস থেকেও অংশ নেব’ শিরোনামে কর্মসূচি চালানো হবে। ১৪ আগস্টের মধ্যে যদি নির্বাচন কমিশন থেকে যদি সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না আসে, তাহলে ১৫-১৭ আগস্ট পর্যন্ত ‘Diaspora Rising for Voting Rights’ শিরোনামে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, ‘কোনো দলের হয়ে কাজ না করে স্বতন্ত্রভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনতার যে ভোটের অধিকার, সেটি যেন নিশ্চিত করা হয়, সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোরও ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
সাইফ মোস্তাফিজ বলেন, ‘জনতার জন্য আমরা যদি কাজ না করতে পারি, তাহলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতো কোনো সরকার হয়তো আবার আসবে। হয়তোবা আমাদের শহীদ হতে হবে। আমরা চাই না, সেই জায়গাটা নতুন করে হোক। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, প্রবাসী ভাই-বোনেরা যারা আছেন, তাদের ভোটাধিকার যেন নিশ্চিত করে এই নির্বাচন করা যায়।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স। তারা বলেছে, আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে; তা না হলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ করা হবে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্সের উত্তর আমেরিকাবিষয়ক সমন্বয়ক তারিক আদনান মুন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দেড় কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির শ্রম, মেধা ও রেমিট্যান্সে বাংলাদেশ চলমান। অথচ এখনো তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শুধু একটি-দুটি দেশে সীমিত পাইলট প্রকল্প চালুর কথা বলা হচ্ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।
আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরু ও একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে। যারা এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি কিংবা নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে চান, তাদের জন্য বিদেশ থেকেই তথ্য হালনাগাদ ও নিবন্ধনের সুযোগ রাখতে হবে।
প্রবাসীদের ব্যালট কীভাবে পাঠানো হবে, কোথায় পাঠাতে হবে, কীভাবে যাচাই ও গণনা করা হবে—এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে নির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রকাশ করতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মনিটরিং ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও থাকা দরকার।
এ সময় প্রবাসীদের ভোটাধিকারসংক্রান্ত নীতিমালা ও প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ, আইনজীবী ও প্রবাসী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা বলেন তিনি।
এসব দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে তারিক আদনান জানান, আজ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত প্রবাসীদের নিয়ে একটি অনলাইন ক্যাম্পেইন ও ‘আমার ভোট আমি দেব-প্রবাস থেকেও অংশ নেব’ শিরোনামে কর্মসূচি চালানো হবে। ১৪ আগস্টের মধ্যে যদি নির্বাচন কমিশন থেকে যদি সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না আসে, তাহলে ১৫-১৭ আগস্ট পর্যন্ত ‘Diaspora Rising for Voting Rights’ শিরোনামে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, ‘কোনো দলের হয়ে কাজ না করে স্বতন্ত্রভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনতার যে ভোটের অধিকার, সেটি যেন নিশ্চিত করা হয়, সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোরও ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
সাইফ মোস্তাফিজ বলেন, ‘জনতার জন্য আমরা যদি কাজ না করতে পারি, তাহলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতো কোনো সরকার হয়তো আবার আসবে। হয়তোবা আমাদের শহীদ হতে হবে। আমরা চাই না, সেই জায়গাটা নতুন করে হোক। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, প্রবাসী ভাই-বোনেরা যারা আছেন, তাদের ভোটাধিকার যেন নিশ্চিত করে এই নির্বাচন করা যায়।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।