
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোহাম্মদ জোবায়ের (২৮) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন।
রোববার (১০ নভেম্বর) রাত ৮টায় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-৫ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত যুবক ওই ব্লকের মোহাম্মদ আমিনের ছেলে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন জানান, নিহত যুবক তার নিজ বাসার পাশে প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছোড়ে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে দেখতে পায় দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যাচ্ছে।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জোবায়েরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি বলে জানান ওসি।

কক্সবাজারের টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোহাম্মদ জোবায়ের (২৮) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন।
রোববার (১০ নভেম্বর) রাত ৮টায় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-৫ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত যুবক ওই ব্লকের মোহাম্মদ আমিনের ছেলে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন জানান, নিহত যুবক তার নিজ বাসার পাশে প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছোড়ে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে দেখতে পায় দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যাচ্ছে।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জোবায়েরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি বলে জানান ওসি।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।