
বিডিজেন ডেস্ক

শ্রম বাজারে ঘাটতির মধ্যেই এবার অভিবাসন পদ্ধতি সহজ করতে ভিসা ও কর্মসংস্থানের শর্তগুলো আপডেট করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। কাজের অভিজ্ঞতার মানদণ্ড, মজুরি সমন্বয় ও ভিসার সময়কালের সঙ্গে সামঞ্জস্যসহ কর্মচারী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্য অভিবাসন সহজ করার লক্ষ্যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে বলে জানায় দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শ্রমবাজারের সংকট কাটিয়ে উঠতে নিউজিল্যান্ড সরকার অভিবাসীদের কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত তিন থেকে কমিয়ে দুই বছর করেছে। এই পদক্ষেপের কারণে যোগ্য কর্মীরা এবার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডে আরও সহজে কর্মসংস্থান খুঁজে পাবেন।
মৌসুমী কর্মীদের নিউজিল্যান্ডে থাকার জন্য দুটি নতুন পথও চালু করেছে দেশটি। অভিজ্ঞ মৌসুমী কর্মীদের জন্য তিন বছরের মাল্টি-এন্ট্রি ভিসা এবং নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের জন্য সাত মাসের একক-প্রবেশ ভিসা রাখা হয়েছে। শ্রমিক সংকট কাটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে কয়েক ধরনের ভিসা বাতিল করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাক্রেডিটেড এমপ্লোয়ার ওয়ার্ক ভিসা (এইডব্লিউভি) ও স্পেসিফিক পারপাস ওয়ার্ক ভিসা (এসপিডব্লিউভি)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই চাকরির বিস্তারিত জানানোর পাশাপাশি বেতনের তথ্যও জানাবেন।
কোনো অভিবাসী তাদের সন্তানদের নিউজিল্যান্ডে নিতে চাইলে এইডব্লিউভি হোল্ডারদের বছরে অন্তত ৫৫ হাজার নিউজিল্যান্ডি ডলার আয় করতে হবে।

শ্রম বাজারে ঘাটতির মধ্যেই এবার অভিবাসন পদ্ধতি সহজ করতে ভিসা ও কর্মসংস্থানের শর্তগুলো আপডেট করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। কাজের অভিজ্ঞতার মানদণ্ড, মজুরি সমন্বয় ও ভিসার সময়কালের সঙ্গে সামঞ্জস্যসহ কর্মচারী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্য অভিবাসন সহজ করার লক্ষ্যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে বলে জানায় দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শ্রমবাজারের সংকট কাটিয়ে উঠতে নিউজিল্যান্ড সরকার অভিবাসীদের কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত তিন থেকে কমিয়ে দুই বছর করেছে। এই পদক্ষেপের কারণে যোগ্য কর্মীরা এবার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডে আরও সহজে কর্মসংস্থান খুঁজে পাবেন।
মৌসুমী কর্মীদের নিউজিল্যান্ডে থাকার জন্য দুটি নতুন পথও চালু করেছে দেশটি। অভিজ্ঞ মৌসুমী কর্মীদের জন্য তিন বছরের মাল্টি-এন্ট্রি ভিসা এবং নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের জন্য সাত মাসের একক-প্রবেশ ভিসা রাখা হয়েছে। শ্রমিক সংকট কাটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে কয়েক ধরনের ভিসা বাতিল করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাক্রেডিটেড এমপ্লোয়ার ওয়ার্ক ভিসা (এইডব্লিউভি) ও স্পেসিফিক পারপাস ওয়ার্ক ভিসা (এসপিডব্লিউভি)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই চাকরির বিস্তারিত জানানোর পাশাপাশি বেতনের তথ্যও জানাবেন।
কোনো অভিবাসী তাদের সন্তানদের নিউজিল্যান্ডে নিতে চাইলে এইডব্লিউভি হোল্ডারদের বছরে অন্তত ৫৫ হাজার নিউজিল্যান্ডি ডলার আয় করতে হবে।
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির জন্য কোনো নিয়োগ প্রতিষ্ঠান কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ চাইলে অথবা কোনো ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে সতর্ক থাকার অনুরোধ রইল। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অর্থ প্রদান করা অথবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের দায় bdgen24.com-এর নয়।]
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশকে কেবল শ্রম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে না দেখে দক্ষতা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, পেশাদারত্ব এবং স্বীকৃত দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাসরত সকল অনিয়মিত ও অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও শিক্ষকসহ অন্য যোগ্য পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত থাকা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার সব কিছু তৈরি হয়েছে। আশা করি আমরা দ্রুতই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব।