
বিডিজেন ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম প্রদিনিয়ত কঠিন করে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এবার কর্মীদের জন্য ভিসার নিয়ম সহজ করেছে দেশটির সরকার।
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনে নতুন কাজের ভিসা (ওয়ার্ক ভিসা) ‘স্কিলস ইন ডিমান্ড’ বা এসআইডি চালু করা হয়েছে। গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) নতুন এই নিয়ম চালুর পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে আগের টেম্পোরারি স্কিল শর্টেজ (টিএসএস)।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, তিনটি স্ট্রিম নিয়ে এবারের ‘স্কিলস ইন ডিমান্ড’ বা এসআইডি চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া। এর আওতায় বিদেশিরা দেশটিতে কাজ করার ও থাকার সুবিধা পাবেন।
অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্স থেকে সম্প্রতি জানানো হয়, এসআইডির আওতায় ভিসাধারীরা মেয়াদ থাকার সময়ের মধ্যে যতবার ইচ্ছা অস্ট্রেলিয়া আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এমনকি কাজের অভিজ্ঞতা এক বছর হলেও ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতে করে কম দক্ষ কর্মীরাও ভিসা পেতে পারবেন।
ইংরেজি জানার ব্যাপারটি এখনো নিয়মের মধ্যে রাখা হয়েছে। আগের মতোই এই দক্ষতা দেখাতে হবে। ইংরেজি জানতেই হবে, এ ছাড়া, কোনো বিকল্প নেই। তবে, কম বেতনের চাকরিতে আবেদনের সুযোগ রয়েছে এবার।
পাশাপাশি নতুন ভিসার জন্য ৪৫০টির বেশি পেশার তালিকাও প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন আইনজীবীরা বলছেন, আগের তুলনায় এ ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ হবে।
তবে নতুন তালিকায় বাদ পড়েছে আগের তালিকার জনপ্রিয় বেশ কিছু পেশা। যেমন; রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপক, সেলুন ব্যবস্থাপক ইত্যাদি। তালিকায় রাখা হয়েছে স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতের চাকরি।

শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম প্রদিনিয়ত কঠিন করে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এবার কর্মীদের জন্য ভিসার নিয়ম সহজ করেছে দেশটির সরকার।
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনে নতুন কাজের ভিসা (ওয়ার্ক ভিসা) ‘স্কিলস ইন ডিমান্ড’ বা এসআইডি চালু করা হয়েছে। গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) নতুন এই নিয়ম চালুর পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে আগের টেম্পোরারি স্কিল শর্টেজ (টিএসএস)।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, তিনটি স্ট্রিম নিয়ে এবারের ‘স্কিলস ইন ডিমান্ড’ বা এসআইডি চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া। এর আওতায় বিদেশিরা দেশটিতে কাজ করার ও থাকার সুবিধা পাবেন।
অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্স থেকে সম্প্রতি জানানো হয়, এসআইডির আওতায় ভিসাধারীরা মেয়াদ থাকার সময়ের মধ্যে যতবার ইচ্ছা অস্ট্রেলিয়া আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এমনকি কাজের অভিজ্ঞতা এক বছর হলেও ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতে করে কম দক্ষ কর্মীরাও ভিসা পেতে পারবেন।
ইংরেজি জানার ব্যাপারটি এখনো নিয়মের মধ্যে রাখা হয়েছে। আগের মতোই এই দক্ষতা দেখাতে হবে। ইংরেজি জানতেই হবে, এ ছাড়া, কোনো বিকল্প নেই। তবে, কম বেতনের চাকরিতে আবেদনের সুযোগ রয়েছে এবার।
পাশাপাশি নতুন ভিসার জন্য ৪৫০টির বেশি পেশার তালিকাও প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন আইনজীবীরা বলছেন, আগের তুলনায় এ ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ হবে।
তবে নতুন তালিকায় বাদ পড়েছে আগের তালিকার জনপ্রিয় বেশ কিছু পেশা। যেমন; রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপক, সেলুন ব্যবস্থাপক ইত্যাদি। তালিকায় রাখা হয়েছে স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতের চাকরি।
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির জন্য কোনো নিয়োগ প্রতিষ্ঠান কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ চাইলে অথবা কোনো ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে সতর্ক থাকার অনুরোধ রইল। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অর্থ প্রদান করা অথবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের দায় bdgen24.com-এর নয়।]
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশকে কেবল শ্রম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে না দেখে দক্ষতা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, পেশাদারত্ব এবং স্বীকৃত দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাসরত সকল অনিয়মিত ও অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও শিক্ষকসহ অন্য যোগ্য পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত থাকা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার সব কিছু তৈরি হয়েছে। আশা করি আমরা দ্রুতই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব।