
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে নতুন করে শতাধিক রকেট ছুড়েছে।
বুধবার (২ অক্টোবর) দেশটি লক্ষ্য করে ২৪০টি রকেট ছুড়েছে সংগঠনটি। এর আগের দিন মঙ্গলবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর সর্বশেষ রকেটগুলো তিন ধাপে ছোড়া হয়। এতে দুই ঘণ্টার কম সময় নেওয়া হয়েছে। এই রকেটগুলোর বেশির ভাগই ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি অঞ্চলের পশ্চিমাংশে উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে। এ ছাড়া অঞ্চলটির উত্তরাংশে উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে দুটি রকেট।
গত বছর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলার পর থেকে দেশটিতে প্রায়ই হামলা চালাচ্ছিল ইরানসমর্থতি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। লেবাননে হামলা চালিয়ে এর পাল্টা জবাবও দিচ্ছিল ইসরায়েলও। তবে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হামলা পরিমাণ বাড়ায় দেশটি। এতে নিহত হন হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরুল্লাহসহ সংগঠনটির বেশ কয়েকজন নেতা।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর এর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। এর পরপর মঙ্গলবার ইসরায়েলে প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরানের সামরিক বাহিনী। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের বেশির ভাগই ঠেকিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—ইরানের হামলায় মঙ্গলবার ইসরায়েলে কেউ নিহত হননি।
ইসরায়েল–ইরানকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংযত থাকার আহ্বান
ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
এদিকে ইরানের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইসরায়েল বলেছে, তেহরানকে এ জন্য ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে হামলা হলে আরও ‘ধ্বংসাত্মক পাল্টা হামলার’ হুমকি দিয়েছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইরান–সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতাকে হত্যার জবাবে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে হামলার জবাবে মধ্য এপ্রিলে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইরান। ওই হামলার জবাবে ইরানের অভ্যন্তরে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির আহ্বান জাতিসংঘের
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ‘মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের’ নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের পরিসর বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এ অঞ্চলে ‘উসকানির পর উসকানি’ দেওয়ার নিন্দা জানিয়েছেন গুতেরেস। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা বন্ধ করতে হবে। আমাদের সম্পূর্ণভাবে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।’
সূত্র: আলজাজিরা ও বিবিসি

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে নতুন করে শতাধিক রকেট ছুড়েছে।
বুধবার (২ অক্টোবর) দেশটি লক্ষ্য করে ২৪০টি রকেট ছুড়েছে সংগঠনটি। এর আগের দিন মঙ্গলবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর সর্বশেষ রকেটগুলো তিন ধাপে ছোড়া হয়। এতে দুই ঘণ্টার কম সময় নেওয়া হয়েছে। এই রকেটগুলোর বেশির ভাগই ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি অঞ্চলের পশ্চিমাংশে উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে। এ ছাড়া অঞ্চলটির উত্তরাংশে উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে দুটি রকেট।
গত বছর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলার পর থেকে দেশটিতে প্রায়ই হামলা চালাচ্ছিল ইরানসমর্থতি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। লেবাননে হামলা চালিয়ে এর পাল্টা জবাবও দিচ্ছিল ইসরায়েলও। তবে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হামলা পরিমাণ বাড়ায় দেশটি। এতে নিহত হন হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরুল্লাহসহ সংগঠনটির বেশ কয়েকজন নেতা।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর এর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। এর পরপর মঙ্গলবার ইসরায়েলে প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরানের সামরিক বাহিনী। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের বেশির ভাগই ঠেকিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—ইরানের হামলায় মঙ্গলবার ইসরায়েলে কেউ নিহত হননি।
ইসরায়েল–ইরানকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংযত থাকার আহ্বান
ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
এদিকে ইরানের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইসরায়েল বলেছে, তেহরানকে এ জন্য ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে হামলা হলে আরও ‘ধ্বংসাত্মক পাল্টা হামলার’ হুমকি দিয়েছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইরান–সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতাকে হত্যার জবাবে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে হামলার জবাবে মধ্য এপ্রিলে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইরান। ওই হামলার জবাবে ইরানের অভ্যন্তরে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির আহ্বান জাতিসংঘের
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ‘মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের’ নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের পরিসর বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এ অঞ্চলে ‘উসকানির পর উসকানি’ দেওয়ার নিন্দা জানিয়েছেন গুতেরেস। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা বন্ধ করতে হবে। আমাদের সম্পূর্ণভাবে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।’
সূত্র: আলজাজিরা ও বিবিসি
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।