
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র রমজান মাস কবে শুরু হবে, তা জানা যাবে আজ শুক্রবার। দেশগুলোর দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আজ বৈঠকে বসবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, আজ চাঁদ দেখা গেলে এসব দেশে রোজা শুরু হবে আগামীকাল শনিবার থেকে। আর আজ চাঁদ না দেখা গেলে রোজা শুরু হবে আগামী রোববার।
এসব দেশের মুসলিমরা পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার জন্য আজই প্রস্তুতি নিয়েছেন। চাঁদ দেখা কমিটিও বসছে সন্ধ্যায়। মুসলিমদের দূরবীন বা অন্য কোনও মাধ্যমে নিজেদেরও চাঁদ দেখার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন বলছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা গেলে রাতে তারাবির নামাজ শুরু হবে। আর যদি মাগরিব বা সন্ধ্যার নামাজের পরে রমজানের চাঁদ না দেখা যায়, তাহলে রোববার থেকে পবিত্র মাস শুরু হবে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান। চাঁদের ওপর নির্ভর করে হিজরি মাস গণনা করা হয়। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে রমজান মাস শুরু হয়। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র রমজান মাস কবে শুরু হবে, তা জানা যাবে আজ শুক্রবার। দেশগুলোর দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আজ বৈঠকে বসবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, আজ চাঁদ দেখা গেলে এসব দেশে রোজা শুরু হবে আগামীকাল শনিবার থেকে। আর আজ চাঁদ না দেখা গেলে রোজা শুরু হবে আগামী রোববার।
এসব দেশের মুসলিমরা পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার জন্য আজই প্রস্তুতি নিয়েছেন। চাঁদ দেখা কমিটিও বসছে সন্ধ্যায়। মুসলিমদের দূরবীন বা অন্য কোনও মাধ্যমে নিজেদেরও চাঁদ দেখার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন বলছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা গেলে রাতে তারাবির নামাজ শুরু হবে। আর যদি মাগরিব বা সন্ধ্যার নামাজের পরে রমজানের চাঁদ না দেখা যায়, তাহলে রোববার থেকে পবিত্র মাস শুরু হবে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান। চাঁদের ওপর নির্ভর করে হিজরি মাস গণনা করা হয়। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে রমজান মাস শুরু হয়। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।