
বিডিজেন ডেস্ক

পবিত্র রমজানে কোনো প্রবাসী ভিক্ষা করলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েতের প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েত সরকার জানায়, পবিত্র রমজানে কোনো প্রবাসী ভিক্ষাবৃত্তি করলে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সেইসঙ্গে ওই প্রবাসীর স্পন্সরের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, ভিক্ষাবৃত্তি ঠেকাতে এরইমধ্যে বাজার, শপিংমল এবং অন্যান্য স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে।
কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভিক্ষুকদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে। যারা দরিদ্র রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন গভর্নরেটে দাতব্য কেন্দ্র এবং দাতব্য সংস্থা থেকে সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

পবিত্র রমজানে কোনো প্রবাসী ভিক্ষা করলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েতের প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েত সরকার জানায়, পবিত্র রমজানে কোনো প্রবাসী ভিক্ষাবৃত্তি করলে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সেইসঙ্গে ওই প্রবাসীর স্পন্সরের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, ভিক্ষাবৃত্তি ঠেকাতে এরইমধ্যে বাজার, শপিংমল এবং অন্যান্য স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে।
কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভিক্ষুকদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে। যারা দরিদ্র রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন গভর্নরেটে দাতব্য কেন্দ্র এবং দাতব্য সংস্থা থেকে সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।