
বিডিজেন ডেস্ক

বোমা হামলার ঝুঁকি আর অনিশ্চয়তা যেকোনো সময়। এর মধ্যেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন ইরানিরা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি আজ শনিবার (২১ মার্চ) জানায়, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোরের আলো ফুটতেই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদে জড়ো হতে থাকেন তারা।
মসজিদের ভেতর জায়গা না থাকায় বাইরে জায়নামাজ পেতে নামাজ আদায় করেন। চলমান যুদ্ধের মধ্যে এমন জমায়েত ছিল চোখে পড়ার মতো।
শুধু তেহরান নয়, মধ্য ইরানের আরাক, দক্ষিণ-পূর্বের জাহেদান ও পশ্চিমাঞ্চলের শহর আবাদানেও ঈদের নামাজ আদায়ের একই দৃশ্য দেখা গেছে।
ধ্বংসস্তূপ আর প্রিয়জন হারানোর শোক নিয়ে এ দিন মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে শান্তি চেয়ে মোনাজাত করেছেন ইরানিরা।
যুদ্ধ, ক্ষতি আর অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ঈদকে কেন্দ্র করে তাদের এই একত্রিত হওয়া বড় শক্তির পরিচয় বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় প্রতিদিনই শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে বোমা হামলা চলছে। ঈদের আগের রাতেও রাজধানী তেহরানসহ তার আশপাশের এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।

বোমা হামলার ঝুঁকি আর অনিশ্চয়তা যেকোনো সময়। এর মধ্যেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন ইরানিরা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি আজ শনিবার (২১ মার্চ) জানায়, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোরের আলো ফুটতেই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদে জড়ো হতে থাকেন তারা।
মসজিদের ভেতর জায়গা না থাকায় বাইরে জায়নামাজ পেতে নামাজ আদায় করেন। চলমান যুদ্ধের মধ্যে এমন জমায়েত ছিল চোখে পড়ার মতো।
শুধু তেহরান নয়, মধ্য ইরানের আরাক, দক্ষিণ-পূর্বের জাহেদান ও পশ্চিমাঞ্চলের শহর আবাদানেও ঈদের নামাজ আদায়ের একই দৃশ্য দেখা গেছে।
ধ্বংসস্তূপ আর প্রিয়জন হারানোর শোক নিয়ে এ দিন মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে শান্তি চেয়ে মোনাজাত করেছেন ইরানিরা।
যুদ্ধ, ক্ষতি আর অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ঈদকে কেন্দ্র করে তাদের এই একত্রিত হওয়া বড় শক্তির পরিচয় বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় প্রতিদিনই শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে বোমা হামলা চলছে। ঈদের আগের রাতেও রাজধানী তেহরানসহ তার আশপাশের এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।