
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদান বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের মাঝে জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করা হয়।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরের জি টাওয়ার হোটেলের হলরুমে এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়।

সভায় নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মাৎ শাহানারা মনিকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। এবারই প্রথম প্রবাসীরা জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন নিরলস কাজ করছে।

তিনি প্রবাসীদের ভোটদানের প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। তিনি জানান প্রবাসীদের ভোটারদের জন্য ‘তথ্যপ্রযুক্তি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল ভোট দেওয়ার জন্য অনলাইনে পোস্টাল-ভোটার হিসেবে আবেদন এবং নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসী ভোটারদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। এরপর প্রবাসীদের ঠিকানায় পোস্টের মাধ্যমে ব্যালট পেপার ও ফিরতি খাম পাঠানো হবে। প্রবাসীরা ভোট প্রদান করে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্ধারিত খামে ব্যালট পেপার পোস্ট করবেন। সেটি সংশিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে চলে যাবে। ভোটাররা তার ব্যালট কোথায় যাচ্ছে তা অনলাইনে ট্র্যাকিং করে দেখতে পারবেন বলে তিনি জানান। তিনি এ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ভোটার প্রবাসে আছেন। আগামী নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে কমপক্ষে ১ কোটি প্রবাসীর ভোট কাস্টিং করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।"
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার ও ভোটদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইকমিশন সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান।
পরে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন এবং উপস্থিত প্রবাসী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদান বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের মাঝে জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করা হয়।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরের জি টাওয়ার হোটেলের হলরুমে এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়।

সভায় নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মাৎ শাহানারা মনিকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। এবারই প্রথম প্রবাসীরা জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন নিরলস কাজ করছে।

তিনি প্রবাসীদের ভোটদানের প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। তিনি জানান প্রবাসীদের ভোটারদের জন্য ‘তথ্যপ্রযুক্তি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল ভোট দেওয়ার জন্য অনলাইনে পোস্টাল-ভোটার হিসেবে আবেদন এবং নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসী ভোটারদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। এরপর প্রবাসীদের ঠিকানায় পোস্টের মাধ্যমে ব্যালট পেপার ও ফিরতি খাম পাঠানো হবে। প্রবাসীরা ভোট প্রদান করে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্ধারিত খামে ব্যালট পেপার পোস্ট করবেন। সেটি সংশিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে চলে যাবে। ভোটাররা তার ব্যালট কোথায় যাচ্ছে তা অনলাইনে ট্র্যাকিং করে দেখতে পারবেন বলে তিনি জানান। তিনি এ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ভোটার প্রবাসে আছেন। আগামী নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে কমপক্ষে ১ কোটি প্রবাসীর ভোট কাস্টিং করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।"
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার ও ভোটদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইকমিশন সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান।
পরে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন এবং উপস্থিত প্রবাসী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।