
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পেশাজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশি এক্সপ্যাট ইন মালয়েশিয়ার (বিডিএক্সপ্যাট) ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরের চাপাতি ডটকম রেস্তোরাঁয় এই ইফতার আয়োজন করা হয়।
ডিএইচএল মালয়েশিয়ার ফাইন্যান্স প্রফেশনাল অসীম সাহা রায়ের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুয়ালালামপুরে নিয়োজিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম) মো. সিদ্দিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ইফতার অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর (শ্রম) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, কাউন্সেলর (কনস্যুলার) মো. ফিরোজ রব্বানী।
অনুষ্ঠানে বিডি এক্সপ্যাটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মুশফিকুর রহমান রিয়াজ শুভেচ্ছা বক্তব্যে সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন।
এ ছাড়া, বিডি এক্সপ্যাটের এক্সিকিউটিভদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি মালায়ার ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের সিনিয়র লেকচারার ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, ইউনিভার্সিটি মালায়ার ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের মেডিকেল লেকচারার ডা. তানিয়া ইসলাম, ডিএইচএল মালয়েশিয়ার ফাইন্যান্স প্রফেশনাল অসীম সাহা রায়, মাস্টারকার্ডের ম্যানেজিং কনসালটেন্ট রিবো আলম, সিবিএল মানি ট্রান্সফারের তথ্যপ্রযুক্তি কনসালটেন্ট পাভেল সারওয়ার ও পিএইচডি গবেষক আশা হোসেন প্রমুখ।

ইফতার মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মো. আমান উল্লাহ।
বিডি এক্সপ্যাট মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ও কর্মরত প্রফেশনালদের একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের বর্তমানে ৮ শতাধিক সদস্য রয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পেশাজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশি এক্সপ্যাট ইন মালয়েশিয়ার (বিডিএক্সপ্যাট) ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরের চাপাতি ডটকম রেস্তোরাঁয় এই ইফতার আয়োজন করা হয়।
ডিএইচএল মালয়েশিয়ার ফাইন্যান্স প্রফেশনাল অসীম সাহা রায়ের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুয়ালালামপুরে নিয়োজিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম) মো. সিদ্দিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ইফতার অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর (শ্রম) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, কাউন্সেলর (কনস্যুলার) মো. ফিরোজ রব্বানী।
অনুষ্ঠানে বিডি এক্সপ্যাটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মুশফিকুর রহমান রিয়াজ শুভেচ্ছা বক্তব্যে সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন।
এ ছাড়া, বিডি এক্সপ্যাটের এক্সিকিউটিভদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি মালায়ার ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের সিনিয়র লেকচারার ড. মোহাম্মদ আলী তারেক, ইউনিভার্সিটি মালায়ার ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের মেডিকেল লেকচারার ডা. তানিয়া ইসলাম, ডিএইচএল মালয়েশিয়ার ফাইন্যান্স প্রফেশনাল অসীম সাহা রায়, মাস্টারকার্ডের ম্যানেজিং কনসালটেন্ট রিবো আলম, সিবিএল মানি ট্রান্সফারের তথ্যপ্রযুক্তি কনসালটেন্ট পাভেল সারওয়ার ও পিএইচডি গবেষক আশা হোসেন প্রমুখ।

ইফতার মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মো. আমান উল্লাহ।
বিডি এক্সপ্যাট মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ও কর্মরত প্রফেশনালদের একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের বর্তমানে ৮ শতাধিক সদস্য রয়েছে।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।