
মাহবুব রহমান, ওয়ারশ (পোল্যান্ড) থেকে

পোল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে রাজধানী ওয়ারশ শহরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বসন্তবরণ ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আযোজিত এ উৎসবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

বসন্তের আবহকে ঘিরে বাঙালির সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসের মাটিতে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ উৎসবের আযোজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ও পুলি পিঠাসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠা পরিবেশন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিশেষ আনন্দের সঞ্চার করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিখিদের স্বাগত জানানো হয়। এরপর নৃত্য, গান, আবৃত্তি ও শিশুদের অংশগ্রহণে সাজানো সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের মূল আযোজন শুরু হয়। সুশৃঙ্খল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধরা ও মৌসুম। নৃত্য পরিবেশন করেন তানিয়া, শুভজিতের কলাইভানী নৃত্য দল, ত্রয়ী নৃত্য গ্রুপ, দিপীকা, অন্তি এবং শিশু শিল্পী ফারিশা ও আফসিন। সংগীত পরিবেশন করেন ফরহাদ ও মৌসুম। প্রবাসী নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরাই ছিল আযোজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

উৎসবের সার্বিক আযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তানিয়া, লুৎফর রহমান, মোস্তফা, রীম, নুসরাত, জোহরা, জুয়েল, মামুন, সানজিদা, জয়তী, আবিদ, কল্লোল, সাকিব, রবিন, মৌসুম, অধরা, ফরহাদ, তুন্না, মাসুম, তাজুল ও সজল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়।

আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে থেকেও নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অতিখিরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, পিঠার স্বাদ এবং বসন্ত বরণের রঙিন আযোজন উপভোগ করেন। সার্বিকভাবে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশে আয়োজিত এ বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক আনন্দঘন মিলনমেলায় রূপ নেয় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটির আযোজনের সহযোগিতায় ছিল জারিন কাবাব, সিক্রেট স্পাইস রেস্টুরেন্ট, শাহী বাজার, স্পাইসি কাবাব অ্যান্ড গ্রিল, শেখ কাবাব, রহমান ফুড, পিয়ে ফুড, নেহার কাবাব, দারুল কাবাব, চিলি কাবাব এবং বিডি কিং কাবাবসহ প্রবাসীদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

পোল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে রাজধানী ওয়ারশ শহরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বসন্তবরণ ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আযোজিত এ উৎসবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

বসন্তের আবহকে ঘিরে বাঙালির সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসের মাটিতে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ উৎসবের আযোজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ও পুলি পিঠাসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠা পরিবেশন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিশেষ আনন্দের সঞ্চার করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিখিদের স্বাগত জানানো হয়। এরপর নৃত্য, গান, আবৃত্তি ও শিশুদের অংশগ্রহণে সাজানো সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের মূল আযোজন শুরু হয়। সুশৃঙ্খল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধরা ও মৌসুম। নৃত্য পরিবেশন করেন তানিয়া, শুভজিতের কলাইভানী নৃত্য দল, ত্রয়ী নৃত্য গ্রুপ, দিপীকা, অন্তি এবং শিশু শিল্পী ফারিশা ও আফসিন। সংগীত পরিবেশন করেন ফরহাদ ও মৌসুম। প্রবাসী নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরাই ছিল আযোজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

উৎসবের সার্বিক আযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তানিয়া, লুৎফর রহমান, মোস্তফা, রীম, নুসরাত, জোহরা, জুয়েল, মামুন, সানজিদা, জয়তী, আবিদ, কল্লোল, সাকিব, রবিন, মৌসুম, অধরা, ফরহাদ, তুন্না, মাসুম, তাজুল ও সজল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়।

আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে থেকেও নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অতিখিরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, পিঠার স্বাদ এবং বসন্ত বরণের রঙিন আযোজন উপভোগ করেন। সার্বিকভাবে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশে আয়োজিত এ বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক আনন্দঘন মিলনমেলায় রূপ নেয় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটির আযোজনের সহযোগিতায় ছিল জারিন কাবাব, সিক্রেট স্পাইস রেস্টুরেন্ট, শাহী বাজার, স্পাইসি কাবাব অ্যান্ড গ্রিল, শেখ কাবাব, রহমান ফুড, পিয়ে ফুড, নেহার কাবাব, দারুল কাবাব, চিলি কাবাব এবং বিডি কিং কাবাবসহ প্রবাসীদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে থেকেও নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে সহায়তা করে।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’—জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে বাঙালি মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, খোঁপায় ফুল গুঁজে, নানা বাহারি রঙে সেজে এতে অংশ নেন।
গান শেষ হলেও থেমে থাকেনি গল্প। আড্ডায় আড্ডায় উঠে আসে প্রবাসজীবনের না-বলা কথাগুলো। কুইজের মজায় জমে ওঠে হাসির রোল, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে খুলে যায় স্মৃতির ঝাঁপি। কেউ শোনান প্রথম বসন্তে প্রেমে পড়ার গল্প, কেউ আবার ভালোবাসা দিবসের পুরনো চিঠি কিংবা দূরে থেকেও ভালোবাসা আগলে রাখার অভিজ্ঞতা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, "আমিরাতে আসার পর থেকেই আমার পরিকল্পনা ছিল নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা৷। আর সে লক্ষ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আজমানে ২০২১ সালে ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম৷