
বিডিজেন ডেস্ক

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।
তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটির অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সর্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।
তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটির অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সর্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।