
বিডিজেন ডেস্ক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট কোন পদ্ধতিতে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের মতামত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্ধারিত সময় ১৫ মের মধ্যে মাত্র ৮টি দল মতামত দিয়েছে। এই ৮ দলের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ বেশির ভাগ পুরোনো বড় দল নেই। নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) মতামত দেয়নি। সর্বশেষ গতকাল রোববার (২৫ মে) পর্যন্ত ১৩টি দলের মত পেয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকারের দাবি দীর্ঘদিনের। এমন প্রেক্ষাপটে প্রচলিত পোস্টাল ব্যালট, প্রক্সি নাকি অনলাইন পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের মতামত নিচ্ছে কমিশন। কমিশন নিজেও বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে অনুসৃত পদ্ধতি নিয়ে খোঁজখবর করেছে।
এ বিষয়ে কথা হলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ১৩টি দল প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের পদ্ধতির বিষয়ে মতামত দিয়েছে। আরও হয়তো কয়েকটি অভিমত আসবে। তারপর আগামী সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে আমরা বসব।’
আখতার আহমেদ বলেন, ‘কোনো দল ৩টি পদ্ধতিই ব্যবহার করতে বলেছে। কোনো দল বলেছে ২টি পদ্ধতির কথা। বেশির ভাগ দল একাধিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে বলেছে।’
এ পর্যন্ত কোন কোন দল মতামত দিয়েছে, তা জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব তাৎক্ষণিকভাবে কিছু না জানিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
ইসিতে মতামত দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কমিশনকে লিখিতভাবে বলেছি যে, যারা প্রমাণ করতে পারবে বাংলাদেশি নাগরিক, তাদের এখনই ভোটার করার কাজটি শুরু করা হোক। আর ইতিমধ্যে আমরা বাইরের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সামনাসামনি ও জুমে (ভার্চুয়ালি) কথা বলেছি। আরও কিছু দেশ বাকি আছে। কীভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করলে তাদের জন্য সুবিধা হয়, আমরা সে বিষয়ে তাদের মতামত নিচ্ছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই আমাদের মতামত নির্বাচন কমিশনকে জানাব।’
আগে ভোটার করা বেশি জরুরি মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটার না করলে আপনি যে পদ্ধতিতেই ভোট নিতে চান, কার ভোট নেবেন? সে জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি অবিলম্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করা হোক।’
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘শিগগিরই মতামত দিয়ে দেব। প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করার সময় প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে আমরা ইসিতে লিখিত দাবি দিয়ে এসেছি।’
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘আমরা এখনো জমা দিইনি। এটি প্রস্তুত করতে আমাদের আরেকটু সময় লাগবে।’
গত ২৯ এপ্রিল রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ভোটিং পদ্ধতি তৈরি করার বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ২১টি দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ওই সেমিনারেই ১৫ মের মধ্যে দলগুলোকে মতামত দিতে অনুরোধ করেছিল ইসি।
বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর মধ্যে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিচার না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন জারির পর আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে ইসি।
এর আগে নির্বাচন কমিশন গত ৮ এপ্রিল কারিগরি বিষয়ে বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভোট পদ্ধতি বিষয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করে। সেখানে ৩টি পদ্ধতি নিয়ে উপস্থাপনা ও আলোচনা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদদের নিয়ে একটি ‘অ্যাডভাইজরি টিম’ গঠন করে। এমআইএসটি, ঢাবি ও বুয়েট ৩টি পদ্ধতি নিয়ে ৩টি প্রতিবেদনও দিয়েছে কমিশনে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট কোন পদ্ধতিতে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের মতামত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্ধারিত সময় ১৫ মের মধ্যে মাত্র ৮টি দল মতামত দিয়েছে। এই ৮ দলের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ বেশির ভাগ পুরোনো বড় দল নেই। নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) মতামত দেয়নি। সর্বশেষ গতকাল রোববার (২৫ মে) পর্যন্ত ১৩টি দলের মত পেয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকারের দাবি দীর্ঘদিনের। এমন প্রেক্ষাপটে প্রচলিত পোস্টাল ব্যালট, প্রক্সি নাকি অনলাইন পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের মতামত নিচ্ছে কমিশন। কমিশন নিজেও বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে অনুসৃত পদ্ধতি নিয়ে খোঁজখবর করেছে।
এ বিষয়ে কথা হলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ১৩টি দল প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের পদ্ধতির বিষয়ে মতামত দিয়েছে। আরও হয়তো কয়েকটি অভিমত আসবে। তারপর আগামী সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে আমরা বসব।’
আখতার আহমেদ বলেন, ‘কোনো দল ৩টি পদ্ধতিই ব্যবহার করতে বলেছে। কোনো দল বলেছে ২টি পদ্ধতির কথা। বেশির ভাগ দল একাধিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে বলেছে।’
এ পর্যন্ত কোন কোন দল মতামত দিয়েছে, তা জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব তাৎক্ষণিকভাবে কিছু না জানিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
ইসিতে মতামত দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কমিশনকে লিখিতভাবে বলেছি যে, যারা প্রমাণ করতে পারবে বাংলাদেশি নাগরিক, তাদের এখনই ভোটার করার কাজটি শুরু করা হোক। আর ইতিমধ্যে আমরা বাইরের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সামনাসামনি ও জুমে (ভার্চুয়ালি) কথা বলেছি। আরও কিছু দেশ বাকি আছে। কীভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করলে তাদের জন্য সুবিধা হয়, আমরা সে বিষয়ে তাদের মতামত নিচ্ছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই আমাদের মতামত নির্বাচন কমিশনকে জানাব।’
আগে ভোটার করা বেশি জরুরি মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটার না করলে আপনি যে পদ্ধতিতেই ভোট নিতে চান, কার ভোট নেবেন? সে জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি অবিলম্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করা হোক।’
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘শিগগিরই মতামত দিয়ে দেব। প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করার সময় প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে আমরা ইসিতে লিখিত দাবি দিয়ে এসেছি।’
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘আমরা এখনো জমা দিইনি। এটি প্রস্তুত করতে আমাদের আরেকটু সময় লাগবে।’
গত ২৯ এপ্রিল রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ভোটিং পদ্ধতি তৈরি করার বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ২১টি দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ওই সেমিনারেই ১৫ মের মধ্যে দলগুলোকে মতামত দিতে অনুরোধ করেছিল ইসি।
বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর মধ্যে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিচার না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন জারির পর আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে ইসি।
এর আগে নির্বাচন কমিশন গত ৮ এপ্রিল কারিগরি বিষয়ে বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভোট পদ্ধতি বিষয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করে। সেখানে ৩টি পদ্ধতি নিয়ে উপস্থাপনা ও আলোচনা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদদের নিয়ে একটি ‘অ্যাডভাইজরি টিম’ গঠন করে। এমআইএসটি, ঢাবি ও বুয়েট ৩টি পদ্ধতি নিয়ে ৩টি প্রতিবেদনও দিয়েছে কমিশনে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।