

বিডিজেন ডেস্ক

সাজা ভোগের পর ২২ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশি ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিকদেরও ফেরত পাঠানো হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে তাদের দেশে ফেরত পাঠায় ইমিগ্রেশন বিভাগ।
২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে বলেছে, মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং অভিবাসন প্রবিধান ১৯৬৩-এর পাশাপাশি অন্য এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধে সাজা শেষে তাদের নিজ দেশের দূতাবাস থেকে নাগরিকত্ব যাচাই পাস পাওয়ার পর ফেরত পাঠানো হয়।
বাংলাদেশি ছাড়াও একই ক্যাম্প থেকে ভারতের ৩০ জন, ইন্দোনেশিয়ার ২৫ জন, নেপালের ২০ জন, পাকিস্তানের ১১ জন, শ্রীলঙ্কার ৮ জন, থাইলান্ডের ৫ জন ও ফিলিপাইনের ৪ জন নাগরিককেও নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
এ ছাড়া, তারা যেন আবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য তাদের ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করা হয়েছে।
এর আগে কয়েক ধাপে, একই ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে বাংলাদেশিসহ ৪৩৩ জন অভিবাসীকে ফেরত পাঠায় অভিবাসন বিভাগ।

সাজা ভোগের পর ২২ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশি ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিকদেরও ফেরত পাঠানো হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে তাদের দেশে ফেরত পাঠায় ইমিগ্রেশন বিভাগ।
২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে বলেছে, মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং অভিবাসন প্রবিধান ১৯৬৩-এর পাশাপাশি অন্য এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধে সাজা শেষে তাদের নিজ দেশের দূতাবাস থেকে নাগরিকত্ব যাচাই পাস পাওয়ার পর ফেরত পাঠানো হয়।
বাংলাদেশি ছাড়াও একই ক্যাম্প থেকে ভারতের ৩০ জন, ইন্দোনেশিয়ার ২৫ জন, নেপালের ২০ জন, পাকিস্তানের ১১ জন, শ্রীলঙ্কার ৮ জন, থাইলান্ডের ৫ জন ও ফিলিপাইনের ৪ জন নাগরিককেও নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
এ ছাড়া, তারা যেন আবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য তাদের ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করা হয়েছে।
এর আগে কয়েক ধাপে, একই ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে বাংলাদেশিসহ ৪৩৩ জন অভিবাসীকে ফেরত পাঠায় অভিবাসন বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।