
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এ হুঁশিয়ারি দিলেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ইরানকে একটি পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করতে কিংবা বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। এর জের ধরে সম্প্রতি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নৌ উপস্থিতি জোরদার করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে খামেনি বলেন, ট্রাম্প নিয়মিত যুদ্ধজাহাজের ভয় দেখাচ্ছেন। এসব দেখে ইরানি জাতি ভীত হবে না, এসব হুমকিতে ইরানের জনগণ বিচলিত হওয়ার পাত্র নয়।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা
ইরান ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তেহরান জানিয়েছে, তারা ন্যায়সংগত আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনায় দেশটির প্রতিরক্ষাসক্ষমতা হ্রাসের কোনো শর্ত থাকা চলবে না।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ৬টি ডেস্ট্রয়ার, ১টি বিমানবাহী রণতরি এবং ৩টি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে।
অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রতিবাদে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এই বিক্ষোভ দেশটির জন্য সবচেয়ে কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নেয়। তবে ব্যাপক দমন-পীড়নের মুখে বর্তমানে বিক্ষোভের তীব্রতা কমে এসেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ অস্থিরতায় দেশটিতে ৩ হাজার ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ আজ জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খামেনি এই বিক্ষোভকে একটি অভ্যুত্থানচেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, এই রাষ্ট্রদ্রোহের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রগুলোয় আঘাত হানা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এ হুঁশিয়ারি দিলেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ইরানকে একটি পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করতে কিংবা বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। এর জের ধরে সম্প্রতি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নৌ উপস্থিতি জোরদার করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে খামেনি বলেন, ট্রাম্প নিয়মিত যুদ্ধজাহাজের ভয় দেখাচ্ছেন। এসব দেখে ইরানি জাতি ভীত হবে না, এসব হুমকিতে ইরানের জনগণ বিচলিত হওয়ার পাত্র নয়।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা
ইরান ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তেহরান জানিয়েছে, তারা ন্যায়সংগত আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনায় দেশটির প্রতিরক্ষাসক্ষমতা হ্রাসের কোনো শর্ত থাকা চলবে না।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ৬টি ডেস্ট্রয়ার, ১টি বিমানবাহী রণতরি এবং ৩টি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে।
অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রতিবাদে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এই বিক্ষোভ দেশটির জন্য সবচেয়ে কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নেয়। তবে ব্যাপক দমন-পীড়নের মুখে বর্তমানে বিক্ষোভের তীব্রতা কমে এসেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ অস্থিরতায় দেশটিতে ৩ হাজার ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ আজ জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খামেনি এই বিক্ষোভকে একটি অভ্যুত্থানচেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, এই রাষ্ট্রদ্রোহের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রগুলোয় আঘাত হানা।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।