
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার জনজু শহরে বাংলাদেশ ছাত্র কাউন্সিল ও জনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে বাংলাদেশি ডিগ্রিপ্রাপ্ত স্কলারদের সম্মাননা ও নতুন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ (২০২৪) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও লাইফ সায়েন্স ভবনের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সকালে দুই পর্বের অনুষ্ঠিত হয়।
এ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগ।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এ সময় মিলনায়তনে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
প্রথম পর্বে ২০২৪ সেমিস্টারের ডিগ্রিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি স্কলারদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোস্তফা জাহিদ ও বিশেষ অতিথি পোস্টডক্টরাল গবেষক ড. মিনারুল ইসলাম।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেন সিনিয়র বাংলাদেশি স্কলার ড. অনিরুদ্ধ সরকার, ড. মনির হোসেন ও জেবিএনইউ সিনিয়র অ্যালামনাই মো. রুহুল আমিনসহ অন্য আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বাংলাদেশি অ্যালামনাইরা।
অতিথিরা নবীন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সময় স্বদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ও যথাযথ সম্মান রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।’
দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল বেশ আকর্ষণীয়। পেশাদার শিল্পী না হলেও গান, কবিতা ও সমবেত সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো মিলনায়তনে। বাংলাদেশি ছাত্র কাউন্সিলের নতুন কমিটিতে যথাক্রমে সভাপতি পদে নাছির উদ্দীন মাহবুব, সহ-সভাপতি পদে জুম্মান আহম্মেদ শুভ্র ও জেনারেল অ্যাফেয়ার্স পদে মো. রাহুল ইসলাম দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান সফল করতে বাংলাদেশি কমিউনিটির সকলের ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সভাপতি নাছির উদ্দীন মাহবুব।
আয়োজকেরা আশা করেন ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক ব্যানারে এই ধরনের আয়োজন সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সম্প্রতি আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে স্মৃতিস্মারক হিসেবে মেডেল ও চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ ট্রফি প্রদান করা হয়।
সবশেষে মধ্যাহ্নভোজে পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশি সুস্বাদু খাবার বিরিয়ানি। বিজ্ঞপ্তি

দক্ষিণ কোরিয়ার জনজু শহরে বাংলাদেশ ছাত্র কাউন্সিল ও জনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে বাংলাদেশি ডিগ্রিপ্রাপ্ত স্কলারদের সম্মাননা ও নতুন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ (২০২৪) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও লাইফ সায়েন্স ভবনের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সকালে দুই পর্বের অনুষ্ঠিত হয়।
এ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগ।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এ সময় মিলনায়তনে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
প্রথম পর্বে ২০২৪ সেমিস্টারের ডিগ্রিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি স্কলারদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোস্তফা জাহিদ ও বিশেষ অতিথি পোস্টডক্টরাল গবেষক ড. মিনারুল ইসলাম।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেন সিনিয়র বাংলাদেশি স্কলার ড. অনিরুদ্ধ সরকার, ড. মনির হোসেন ও জেবিএনইউ সিনিয়র অ্যালামনাই মো. রুহুল আমিনসহ অন্য আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বাংলাদেশি অ্যালামনাইরা।
অতিথিরা নবীন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সময় স্বদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ও যথাযথ সম্মান রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।’
দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল বেশ আকর্ষণীয়। পেশাদার শিল্পী না হলেও গান, কবিতা ও সমবেত সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো মিলনায়তনে। বাংলাদেশি ছাত্র কাউন্সিলের নতুন কমিটিতে যথাক্রমে সভাপতি পদে নাছির উদ্দীন মাহবুব, সহ-সভাপতি পদে জুম্মান আহম্মেদ শুভ্র ও জেনারেল অ্যাফেয়ার্স পদে মো. রাহুল ইসলাম দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান সফল করতে বাংলাদেশি কমিউনিটির সকলের ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সভাপতি নাছির উদ্দীন মাহবুব।
আয়োজকেরা আশা করেন ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক ব্যানারে এই ধরনের আয়োজন সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সম্প্রতি আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে স্মৃতিস্মারক হিসেবে মেডেল ও চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ ট্রফি প্রদান করা হয়।
সবশেষে মধ্যাহ্নভোজে পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশি সুস্বাদু খাবার বিরিয়ানি। বিজ্ঞপ্তি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।