
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে আবাসিক আইন লঙ্ঘনকারীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান চলছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেসিডেন্সি বিষয়ক তদন্ত বিভাগ ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। চলমান অভিযানে এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের দেড় হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার হয়েছে।
কুয়েতে এক মালিকের ভিসায় আসার পর অন্যত্র অন্য মালিকের কাজ করা স্থানীয় আইনে আবাসন আইনের লঙ্ঘন। অভিযানে ফ্রি ভিসায় কাজ করা অভিবাসীরা বেশি গ্রেপ্তার হন। ভিসা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতায় এ ভিসা ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে থাকেন। আবার ১ বছর বা ২ বছর পর নবায়নের জন্যও তাদের টাকা দিতে হয়।
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নতুন গভর্নরেট অফিস খোলা ও ২৪/৭ নিরাপত্তা দল গঠনের পর আবাসিক আইন লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন দেশের ১৪৬১ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সিকিউরিটি রিলেশনস অ্যান্ড মিডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট জোর দিয়েছিল, আইন ভঙ্গকারীদের ধরতে নিরাপত্তা অভিযানগুলো সারা দেশে অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় নাগরিকদের জরুরি হটলাইনের (১১২) মাধ্যমে লঙ্ঘনকারী বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের জড়িতদের বিষয়ে জানানোর মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে বলা হয়।

কুয়েতে আবাসিক আইন লঙ্ঘনকারীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান চলছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেসিডেন্সি বিষয়ক তদন্ত বিভাগ ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। চলমান অভিযানে এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের দেড় হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার হয়েছে।
কুয়েতে এক মালিকের ভিসায় আসার পর অন্যত্র অন্য মালিকের কাজ করা স্থানীয় আইনে আবাসন আইনের লঙ্ঘন। অভিযানে ফ্রি ভিসায় কাজ করা অভিবাসীরা বেশি গ্রেপ্তার হন। ভিসা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতায় এ ভিসা ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে থাকেন। আবার ১ বছর বা ২ বছর পর নবায়নের জন্যও তাদের টাকা দিতে হয়।
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নতুন গভর্নরেট অফিস খোলা ও ২৪/৭ নিরাপত্তা দল গঠনের পর আবাসিক আইন লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন দেশের ১৪৬১ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সিকিউরিটি রিলেশনস অ্যান্ড মিডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট জোর দিয়েছিল, আইন ভঙ্গকারীদের ধরতে নিরাপত্তা অভিযানগুলো সারা দেশে অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় নাগরিকদের জরুরি হটলাইনের (১১২) মাধ্যমে লঙ্ঘনকারী বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের জড়িতদের বিষয়ে জানানোর মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে বলা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।