
বিডিজেন ডেস্ক

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ বিজনেস কমিউনিটি ব্রুনাই।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে ত্রাণ তহবিলে ২৭ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ টাকা) দেওয়া হয়।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সদস্য মো. হাসানুর ইসলাম, মো. আলতাব হোসেন, হাজী বাকের উদ্দিন ও মো. হায়তাস উদ্দিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সারওয়ার আলমের কাছে অনুদানের চেকটি হস্তান্তর করেন।
এ সময় সংগঠনের সদস্যরা বলেন, বন্যার্ত এলাকার মানুষ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য।
বাংলাদেশ বিজনেস কমিউনিটি ব্রুনাই সরকার ও দেশবাসীর পাশে থেকে বন্যার্তদের সাহায্য অব্যাহত রাখবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। বিজ্ঞপ্তি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ বিজনেস কমিউনিটি ব্রুনাই।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে ত্রাণ তহবিলে ২৭ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ টাকা) দেওয়া হয়।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের সদস্য মো. হাসানুর ইসলাম, মো. আলতাব হোসেন, হাজী বাকের উদ্দিন ও মো. হায়তাস উদ্দিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সারওয়ার আলমের কাছে অনুদানের চেকটি হস্তান্তর করেন।
এ সময় সংগঠনের সদস্যরা বলেন, বন্যার্ত এলাকার মানুষ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য।
বাংলাদেশ বিজনেস কমিউনিটি ব্রুনাই সরকার ও দেশবাসীর পাশে থেকে বন্যার্তদের সাহায্য অব্যাহত রাখবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। বিজ্ঞপ্তি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।