
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল-আহমদ আল-সাবাহ। এসময় তাকে পুনরায় বিমানবন্দর খোলার পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ বিমানবন্দর পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলি আবদুল্লাহ আল-সালেম আল-সাবাহ ও বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তরের প্রধান শেখ হুমুদ মুবারক আল-হুমুদ আল-সাবাহ তার সঙ্গে ছিলেন।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির কারণে আরোপিত স্থগিতাদেশের পর বিমানবন্দর প্রস্তুত করা এবং বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় ও কারিগরি দলগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল-আহমদ আল-সাবাহ। এসময় তাকে পুনরায় বিমানবন্দর খোলার পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ বিমানবন্দর পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলি আবদুল্লাহ আল-সালেম আল-সাবাহ ও বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তরের প্রধান শেখ হুমুদ মুবারক আল-হুমুদ আল-সাবাহ তার সঙ্গে ছিলেন।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির কারণে আরোপিত স্থগিতাদেশের পর বিমানবন্দর প্রস্তুত করা এবং বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় ও কারিগরি দলগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।