
বিডিজেন ডেস্ক

অস্থায়ী কাজের ভিসা নিয়ে নতুন আইনে অনুমোদন করেছে সৌদি আরব সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন একটি বৈঠকে হজ ও ওমরাহ সম্পর্কিত কাজে অস্থায়ী কাজের ভিসায় আসা প্রবাসীদের সংযুক্ত করার আইনে অনুমোদন দেওয়া হয়। ছয় মাস পর এই নতুন আইন কার্যকর হবে।
সৌদি সরকার জানায়, এই পদক্ষেপের কারণে বেসরকারি খাতে প্রতিষ্ঠানগুলো অস্থায়ী কাজের ভিসায় প্রবাসীদের ব্যবহার করে সুবিধা নিতে পারবে।
এদিকে সৌদি সরকার অস্থায়ী কাজের ভিসার নাম পরিবর্তন করে ‘হজ এবং ওমরাহ পরিষেবার জন্য অস্থায়ী কাজের ভিসা’ করার নির্দেশ দিয়েছে। এই ভিসাগুলোর মেয়াদ ১৫ শাবান থেকে মহররমের শেষ পর্যন্ত (অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে। এতদিন একজন ব্যক্তি কোনো কাগজপত্র ছাড়াই সৌদিতে তিন মাসের অস্থায়ী কাজের ভিসা নিতে পারতেন।
নতুন এই আইন অনুসারে, এখন থেকে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্বাধীনতা উপভোগ করবে। এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকে তারা চাইলেই অতিরিক্ত ৯০ দিন ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবে।
নতুন এই আইনে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে চুক্তি করার বাধ্যবাধকতা প্রদান করা হয়েছে। বিদেশে সৌদি দূতাবাস এবং কনস্যুলেটগুলোর মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসাবে মেডিকেল বীমা থাকা প্রয়োজন বলেও নতুন এই আইনে বলা হয়েছে।
অস্থায়ী কাজের ভিসার অপব্যবহার রোধ করার লক্ষ্যে নতুন আইনে জরিমানার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অস্থায়ী কাজের ভিসা নিয়ে নতুন আইনে অনুমোদন করেছে সৌদি আরব সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন একটি বৈঠকে হজ ও ওমরাহ সম্পর্কিত কাজে অস্থায়ী কাজের ভিসায় আসা প্রবাসীদের সংযুক্ত করার আইনে অনুমোদন দেওয়া হয়। ছয় মাস পর এই নতুন আইন কার্যকর হবে।
সৌদি সরকার জানায়, এই পদক্ষেপের কারণে বেসরকারি খাতে প্রতিষ্ঠানগুলো অস্থায়ী কাজের ভিসায় প্রবাসীদের ব্যবহার করে সুবিধা নিতে পারবে।
এদিকে সৌদি সরকার অস্থায়ী কাজের ভিসার নাম পরিবর্তন করে ‘হজ এবং ওমরাহ পরিষেবার জন্য অস্থায়ী কাজের ভিসা’ করার নির্দেশ দিয়েছে। এই ভিসাগুলোর মেয়াদ ১৫ শাবান থেকে মহররমের শেষ পর্যন্ত (অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে। এতদিন একজন ব্যক্তি কোনো কাগজপত্র ছাড়াই সৌদিতে তিন মাসের অস্থায়ী কাজের ভিসা নিতে পারতেন।
নতুন এই আইন অনুসারে, এখন থেকে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্বাধীনতা উপভোগ করবে। এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকে তারা চাইলেই অতিরিক্ত ৯০ দিন ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবে।
নতুন এই আইনে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে চুক্তি করার বাধ্যবাধকতা প্রদান করা হয়েছে। বিদেশে সৌদি দূতাবাস এবং কনস্যুলেটগুলোর মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসাবে মেডিকেল বীমা থাকা প্রয়োজন বলেও নতুন এই আইনে বলা হয়েছে।
অস্থায়ী কাজের ভিসার অপব্যবহার রোধ করার লক্ষ্যে নতুন আইনে জরিমানার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।