

বিডিজেন ডেস্ক

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কুয়েতের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত সরকার। গত বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বায়োমেট্রিক করবেন না তা তাদের সিভিল কার্ড এবং সমস্ত সরকারী এবং ব্যাঙ্কিং লেনদেন স্থগিত করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতে থাকা বিদেশি নাগরিকরা ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করা সুযোগ পাবেন।
কুয়েত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাদের দেশের প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার নাগরিক এবং বিদেশি প্রায় ৮ লাখ নাগরিক বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করেনি।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কুয়েতের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত সরকার। গত বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বায়োমেট্রিক করবেন না তা তাদের সিভিল কার্ড এবং সমস্ত সরকারী এবং ব্যাঙ্কিং লেনদেন স্থগিত করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতে থাকা বিদেশি নাগরিকরা ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করা সুযোগ পাবেন।
কুয়েত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাদের দেশের প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার নাগরিক এবং বিদেশি প্রায় ৮ লাখ নাগরিক বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করেনি।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।