
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে বাংলাদেশিদের কমিউনিটির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলা স্কুল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন দেশটিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কাজী জাকির হোসেন।
গত রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জোহানসবার্গের মেফেয়ার জুম্মা মসজিদসংলগ্ন বাংলা স্কুল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের নিজেদের মধ্যে পরিচিতি এবং দেশীয় ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা করতে এটি একটি ভালো উদ্যোগ।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক বিষয়গুলোকে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব অনিস রহমান, মোমিনুল হক মোমিন, নাসির উদদীন, আসাদ কামাল, মতিন ভূঁইয়া ও মামুন এবং শিক্ষক ইসরাথ জাহান, শিলা ও কুলসুমা বেগম লীলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মো. আফরোজ উদ্দিন। তিনি বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি।

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে বাংলাদেশিদের কমিউনিটির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলা স্কুল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন দেশটিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কাজী জাকির হোসেন।
গত রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জোহানসবার্গের মেফেয়ার জুম্মা মসজিদসংলগ্ন বাংলা স্কুল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের নিজেদের মধ্যে পরিচিতি এবং দেশীয় ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা করতে এটি একটি ভালো উদ্যোগ।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক বিষয়গুলোকে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব অনিস রহমান, মোমিনুল হক মোমিন, নাসির উদদীন, আসাদ কামাল, মতিন ভূঁইয়া ও মামুন এবং শিক্ষক ইসরাথ জাহান, শিলা ও কুলসুমা বেগম লীলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মো. আফরোজ উদ্দিন। তিনি বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।