
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশি মালিকানাধীন উড়িষ্যা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির নাইট শিফটে কাজে যাওয়ার পথে অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ আলমগীর (৪৩) নামে বাংলাদেশি ওই শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বাহরাইনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন জল্লাক রোডে এই ঘটনা ঘটে।
আহত ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। বাকি দুইজন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের সবাইকে বাহরাইনের সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২ জন ছাড়া বাকি সবাই আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
নিহত আলমগীর নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দা।
২৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে রাজধানী মানামায় কুয়েতি মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাহারাইনে বাংলাদেশ কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এরপর দেশটির আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই দিন রাতেই এমিরেটস এয়ারলাইনসের মাধ্যমে তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে।

বাহরাইনে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশি মালিকানাধীন উড়িষ্যা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির নাইট শিফটে কাজে যাওয়ার পথে অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ আলমগীর (৪৩) নামে বাংলাদেশি ওই শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বাহরাইনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন জল্লাক রোডে এই ঘটনা ঘটে।
আহত ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। বাকি দুইজন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের সবাইকে বাহরাইনের সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২ জন ছাড়া বাকি সবাই আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
নিহত আলমগীর নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দা।
২৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে রাজধানী মানামায় কুয়েতি মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাহারাইনে বাংলাদেশ কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এরপর দেশটির আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই দিন রাতেই এমিরেটস এয়ারলাইনসের মাধ্যমে তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।