
বিডিজেন ডেস্ক

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির কাছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪৫ জন মারা গেছেন। আরও অন্তত ৬১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশনের (আইওএম) কর্মকর্তারা জানান, ইয়েমেন থেকে ৩১০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে নৌকা দুটি রওনা হয়েছিল। লোহিত সাগরের জিবুতি উপকূলে সেগুলো ডুবে যায়।
জিবুতি কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘এখন পর্যন্ত ৬১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বিরতিহীনভাবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে এবং উদ্ধার ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নৌকা দুটি জিবুতির উত্তর-পশ্চিমের খোর অঙ্গার অঞ্চলের কাছের একটি সৈকত থেকে মাত্র ১৫০ মিটার দূরে ডুবে যায়।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। এই পথকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথের একটি বলা হয়।
সূত্র: বিবিসি

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির কাছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪৫ জন মারা গেছেন। আরও অন্তত ৬১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশনের (আইওএম) কর্মকর্তারা জানান, ইয়েমেন থেকে ৩১০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে নৌকা দুটি রওনা হয়েছিল। লোহিত সাগরের জিবুতি উপকূলে সেগুলো ডুবে যায়।
জিবুতি কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘এখন পর্যন্ত ৬১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বিরতিহীনভাবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে এবং উদ্ধার ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নৌকা দুটি জিবুতির উত্তর-পশ্চিমের খোর অঙ্গার অঞ্চলের কাছের একটি সৈকত থেকে মাত্র ১৫০ মিটার দূরে ডুবে যায়।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। এই পথকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথের একটি বলা হয়।
সূত্র: বিবিসি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।