
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১১৯ রান। টসে জেতা ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে তোলে ৭ উইকেটে ১১৮ রান। রান তাড়ায় বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ৯৭ রানে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে প্রাথমিক ধাক্কাটা আসে পাওয়ার প্লেতে। ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল মাত্র ২০ রান। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক নিগার ও তিনে নামা সোবহানা মোশতারি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। দুজনের ৩৫ রানের জুটি ভাঙে নিগার রান আউট হলে। তিনি ২০ বলে ১৫ রান করেন।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে মোশতারি ও নিগার ছাড়া আর কারও ব্যাট থেকে দুই অঙ্কের রান আসেনি।
বাংলাদেশের রান যে ১০০–র কাছাকাছি গেছে, তার মূলে মোশতারির ৪৮ বলে ৪৪ রান। তিনবার জীবন পাওয়া মোশতারি ৫ চারে সাজানো ইনিংসটি খেলে আউট হন ঊনিশতম ওভারে।
এই ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ওপেনার মুর্শিদা খাতুনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান দিলারা আক্তার।
শনিবার (৫ অক্টোবর) আরব আমিরাতের শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড।
প্রথমে ব্যাট করে তারা দ্রুত রান করেছে শুরু ও শেষের দিকে। প্রথমে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার মাইয়া বুচিয়ের ও ড্যানি ওয়াট–হজ। তবে শুরুতে তাঁরা ছিলেন সতর্ক, প্রথম ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৩ রান। পাওয়ারপ্লের পরের তিন ওভারে ৬টি চার মেরে রান ৫০–এর কাছাকাছি নিয়ে যান এই দুই ব্যাটারই। সপ্তম ওভারে বুচিয়েরকে মিড অনে নাহিদার ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন রাবেয়া। ১৮ বল খেলে ৩ চারে ২৩ রান করেন বুচিয়ের। পরের ওভারে ফাহিমা এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন ন্যাট স্কিভার–ব্রান্টকে।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ড কিছুটা রয়েসয়ে খেলা শুরু করে। তবে ১২তম ওভারে রিতু মনি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হিদার নাইটকে ও ১৩তম ওভারে নাহিদা ওপেনার ওয়াট–হজকে (৪০ বলে ৪১ রান) তুলে নিলে আবার খেই হারায় ইংল্যান্ড। ৭ থেকে ১৫—এই ৮ ওভারে তারা ৪ উইকেটে তোলে মাত্র ৪০ রান। সর্বশেষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ইনিংসের মাঝের ওভারে এটি ইংলিশদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।
১৮ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৫ উইকেটে ৯৮। তবে শেষ ২ ওভারে দুই উইকেট হারালেও ২১ রান যোগ করে ফেলে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় স্থানধারী দলটি। এর মধ্যে রিতুর শেষ ওভারে একটি ছয়ও মারেন সোফি এক্লেসটোন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন রিতু, নাহিদা ও ফাহিমা। তবে সবচেয়ে ভালো ইকোনমি রাখেন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া লেগ স্পিনার রাবেয়া।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ দলের পরের ম্যাচ ১০ অক্টোবর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। গ্রুপে শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ ইংল্যান্ডের কাছে হারার আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছিলেন নিগাররা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১১৮/৭ (ওয়াট–হজ ৪১, বুচিয়ের ২৩, জোনস ১২*; ফাহিমা ২/১৮, রিতু ২/২৪, নাহিদা ২/৩২)।
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ৯৭/৭ (মোশতারি ৪৪, নিগার ১৫; স্মিথ ২/১১, ডিন ২/২২)।
ফল: ইংল্যান্ড ২১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ড্যানি ওয়াট–হজ।

বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১১৯ রান। টসে জেতা ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে তোলে ৭ উইকেটে ১১৮ রান। রান তাড়ায় বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ৯৭ রানে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে প্রাথমিক ধাক্কাটা আসে পাওয়ার প্লেতে। ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল মাত্র ২০ রান। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক নিগার ও তিনে নামা সোবহানা মোশতারি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। দুজনের ৩৫ রানের জুটি ভাঙে নিগার রান আউট হলে। তিনি ২০ বলে ১৫ রান করেন।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে মোশতারি ও নিগার ছাড়া আর কারও ব্যাট থেকে দুই অঙ্কের রান আসেনি।
বাংলাদেশের রান যে ১০০–র কাছাকাছি গেছে, তার মূলে মোশতারির ৪৮ বলে ৪৪ রান। তিনবার জীবন পাওয়া মোশতারি ৫ চারে সাজানো ইনিংসটি খেলে আউট হন ঊনিশতম ওভারে।
এই ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ওপেনার মুর্শিদা খাতুনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান দিলারা আক্তার।
শনিবার (৫ অক্টোবর) আরব আমিরাতের শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড।
প্রথমে ব্যাট করে তারা দ্রুত রান করেছে শুরু ও শেষের দিকে। প্রথমে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার মাইয়া বুচিয়ের ও ড্যানি ওয়াট–হজ। তবে শুরুতে তাঁরা ছিলেন সতর্ক, প্রথম ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৩ রান। পাওয়ারপ্লের পরের তিন ওভারে ৬টি চার মেরে রান ৫০–এর কাছাকাছি নিয়ে যান এই দুই ব্যাটারই। সপ্তম ওভারে বুচিয়েরকে মিড অনে নাহিদার ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন রাবেয়া। ১৮ বল খেলে ৩ চারে ২৩ রান করেন বুচিয়ের। পরের ওভারে ফাহিমা এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন ন্যাট স্কিভার–ব্রান্টকে।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ড কিছুটা রয়েসয়ে খেলা শুরু করে। তবে ১২তম ওভারে রিতু মনি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হিদার নাইটকে ও ১৩তম ওভারে নাহিদা ওপেনার ওয়াট–হজকে (৪০ বলে ৪১ রান) তুলে নিলে আবার খেই হারায় ইংল্যান্ড। ৭ থেকে ১৫—এই ৮ ওভারে তারা ৪ উইকেটে তোলে মাত্র ৪০ রান। সর্বশেষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ইনিংসের মাঝের ওভারে এটি ইংলিশদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।
১৮ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৫ উইকেটে ৯৮। তবে শেষ ২ ওভারে দুই উইকেট হারালেও ২১ রান যোগ করে ফেলে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় স্থানধারী দলটি। এর মধ্যে রিতুর শেষ ওভারে একটি ছয়ও মারেন সোফি এক্লেসটোন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন রিতু, নাহিদা ও ফাহিমা। তবে সবচেয়ে ভালো ইকোনমি রাখেন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া লেগ স্পিনার রাবেয়া।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ দলের পরের ম্যাচ ১০ অক্টোবর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। গ্রুপে শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ ইংল্যান্ডের কাছে হারার আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছিলেন নিগাররা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১১৮/৭ (ওয়াট–হজ ৪১, বুচিয়ের ২৩, জোনস ১২*; ফাহিমা ২/১৮, রিতু ২/২৪, নাহিদা ২/৩২)।
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ৯৭/৭ (মোশতারি ৪৪, নিগার ১৫; স্মিথ ২/১১, ডিন ২/২২)।
ফল: ইংল্যান্ড ২১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ড্যানি ওয়াট–হজ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।