
বিডিজেন ডেস্ক

ওমানে তেল–গ্যাস অনুসন্ধানে ২১ হাজার ১৪০ বর্গকিলোমিটারের নতুন এলাকা উন্মোচন করেছে দেশটির জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়। ওমানে অনুষ্ঠিত আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ পেট্রোলিয়াম জিওলজিস্টসের (এএপিজি) আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্ট ওমান আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর সাইয়্যেদ ফাহদ আল জুলান্দা আল সাইদ। সম্মেলনে ৬০টি দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে ওমানের জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রী সালেম বিন নাসের আল আউফি ওমানের বৈচিত্র্যময় ভূতাত্ত্বিক প্রাকৃতিক ভূচিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওমানে তেল এবং গ্যাসের মজুত মরুভূমি এবং উপকূলীয় উভয় অঞ্চলে বিস্তৃত রয়েছে। নতুন এলাকায় তেল ও গ্যাসে অনুসন্ধানে বিনিয়োগের জন্য একটি প্যাকেজও ঘোষণা করেছে ওমান সরকার ।
এই নতুন উন্মোচিত এলাকায় থাকা তেল ও গ্যাস ওমানের জ্বালানি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেইসঙ্গে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বাজারে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলা আশা করা হচ্ছে।

ওমানে তেল–গ্যাস অনুসন্ধানে ২১ হাজার ১৪০ বর্গকিলোমিটারের নতুন এলাকা উন্মোচন করেছে দেশটির জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়। ওমানে অনুষ্ঠিত আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ পেট্রোলিয়াম জিওলজিস্টসের (এএপিজি) আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্ট ওমান আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর সাইয়্যেদ ফাহদ আল জুলান্দা আল সাইদ। সম্মেলনে ৬০টি দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে ওমানের জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রী সালেম বিন নাসের আল আউফি ওমানের বৈচিত্র্যময় ভূতাত্ত্বিক প্রাকৃতিক ভূচিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওমানে তেল এবং গ্যাসের মজুত মরুভূমি এবং উপকূলীয় উভয় অঞ্চলে বিস্তৃত রয়েছে। নতুন এলাকায় তেল ও গ্যাসে অনুসন্ধানে বিনিয়োগের জন্য একটি প্যাকেজও ঘোষণা করেছে ওমান সরকার ।
এই নতুন উন্মোচিত এলাকায় থাকা তেল ও গ্যাস ওমানের জ্বালানি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেইসঙ্গে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বাজারে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলা আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।