
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে প্রতি বছরের মতো এ বছরও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে দেশটির জাতীয় দিবস। এ বছর ছিল দেশটির ৯৪তম জাতীয় দিবস।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের আল খোবার সমূদ্রতট এলাকায় দিবসটি উদযাপনে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের।
পুর্বাঞ্চল প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সউদ বিন বানদর বিন আব্দুল আজিজের পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (সাবেক লেবার মিনিস্ট্রি)।
এতে বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল দাম্মাম শাখার শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার।
উল্লেখ্য, ১৯০২ সালের ১৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ আব্দুর রহমান আল সৌদ এক যুদ্ধের মাধ্যমে রিয়াদ দখল করেন।
দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর সংগ্রামের পর ১৯৩২ সালের ২১ মে এক রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আরবের বিভিন্ন অংশ সৌদি আরবের সঙ্গে একত্রিকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একই বছর ২৩ সেপ্টেম্বর আধুনিক সৌদি আরব গঠিত হয়। সেই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটিকে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয। বিজ্ঞপ্তি

সৌদি আরবে প্রতি বছরের মতো এ বছরও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে দেশটির জাতীয় দিবস। এ বছর ছিল দেশটির ৯৪তম জাতীয় দিবস।
২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের আল খোবার সমূদ্রতট এলাকায় দিবসটি উদযাপনে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের।
পুর্বাঞ্চল প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সউদ বিন বানদর বিন আব্দুল আজিজের পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (সাবেক লেবার মিনিস্ট্রি)।
এতে বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল দাম্মাম শাখার শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার।
উল্লেখ্য, ১৯০২ সালের ১৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ আব্দুর রহমান আল সৌদ এক যুদ্ধের মাধ্যমে রিয়াদ দখল করেন।
দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর সংগ্রামের পর ১৯৩২ সালের ২১ মে এক রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আরবের বিভিন্ন অংশ সৌদি আরবের সঙ্গে একত্রিকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একই বছর ২৩ সেপ্টেম্বর আধুনিক সৌদি আরব গঠিত হয়। সেই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটিকে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয। বিজ্ঞপ্তি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।