
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ২২ হাজারের বেশি কাগজপত্রহীন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সৌদি গ্যাজেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রিয়াদভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি সরকারের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ অভিযান চলাকালে গত ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মোট ২২ হাজার ৩৭৩ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আবাসন আইন ভঙ্গের কারণে ১৪ হাজার ২১৬, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভাঙার কারণে ৪ হাজার ৯৪৩ ও শ্রম আইন ৩ হাজার ২১৪।
সৌদি গ্যাজেট জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৩৯৫ জনকে তাদের নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা তাদের ভ্রমণ বিষয়ক কাগজপত্র হালনাগাদ করতে পারে। অবশ্য এরই মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে সৌদি থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ২২ হাজারের বেশি কাগজপত্রহীন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সৌদি গ্যাজেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রিয়াদভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি সরকারের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ অভিযান চলাকালে গত ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মোট ২২ হাজার ৩৭৩ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আবাসন আইন ভঙ্গের কারণে ১৪ হাজার ২১৬, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভাঙার কারণে ৪ হাজার ৯৪৩ ও শ্রম আইন ৩ হাজার ২১৪।
সৌদি গ্যাজেট জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৩৯৫ জনকে তাদের নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা তাদের ভ্রমণ বিষয়ক কাগজপত্র হালনাগাদ করতে পারে। অবশ্য এরই মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে সৌদি থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।