
বিডিজেন ডেস্ক

বেশি অর্থ উপার্জনকারীদের কাছ থেকে ২০২৬ সালের পর থেকে আয়কর নেবে ওমান সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত জুলাইতে ওমানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ মজলিস আল শুরা আয়কর আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটি ওমানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে কোনো ওমানের নাগরিক বা প্রবাসীদের আয়কর দিতে হয় না।
ওমান সরকারের প্রস্তাবিত আয়কর আইন অনুযায়ী, কোনো প্রবাসী বছরের এক লাখ ডলারের বেশি আয় করলে ৫ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে। আর ওমানের নাগরিকরা বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে যদি বছরে ১০ লাখ ডলারের বেশি আয় করে তাহলে ৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।
তেল ও গ্যাসের রাজস্বের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য এরইমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে ওমান সরকার।
ওমানের বিদ্যমান কর কাঠামোর মধ্যে কর্পোরেট আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং আবগারি কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বেশি অর্থ উপার্জনকারীদের কাছ থেকে ২০২৬ সালের পর থেকে আয়কর নেবে ওমান সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত জুলাইতে ওমানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ মজলিস আল শুরা আয়কর আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটি ওমানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে কোনো ওমানের নাগরিক বা প্রবাসীদের আয়কর দিতে হয় না।
ওমান সরকারের প্রস্তাবিত আয়কর আইন অনুযায়ী, কোনো প্রবাসী বছরের এক লাখ ডলারের বেশি আয় করলে ৫ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে। আর ওমানের নাগরিকরা বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে যদি বছরে ১০ লাখ ডলারের বেশি আয় করে তাহলে ৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।
তেল ও গ্যাসের রাজস্বের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য এরইমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে ওমান সরকার।
ওমানের বিদ্যমান কর কাঠামোর মধ্যে কর্পোরেট আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং আবগারি কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।