
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরব গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানকার হোটেল, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট এবং আবাসিক রিসর্টে বাণিজ্যিক কাজকর্ম চলানোর জন্য দেওয়া লাইসেন্সের ফি বাতিল করেছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।সৌদি আরব গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানকার হোটেল, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট এবং আবাসিক রিসর্টে বাণিজ্যিক কাজকর্ম চলানোর জন্য দেওয়া লাইসেন্সের ফি বাতিল করেছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। দেশটিতে পর্যটন বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সৌদি আরব গত মার্চ মাস থেকে এই কর্মসূচী চালু করে। এই কর্মসূচীর লক্ষ্য সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-র লক্ষ্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশটিকে একটি বৈশ্বিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
এসপিএর খবরে বলা হয়, এই উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের পর্যটন খাতে আরও অর্থ ঢালতে উৎসাহিত করবে। যা প্রকৃতপক্ষে দেশিয় শিল্পে অবদান বাড়াবে।
ভিশন ২০৩০ উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রের আধুনিকায়ন এবং তেল রপ্তানি আয়ের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা করেছে। অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে আট শ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরব গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানকার হোটেল, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট এবং আবাসিক রিসর্টে বাণিজ্যিক কাজকর্ম চলানোর জন্য দেওয়া লাইসেন্সের ফি বাতিল করেছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।সৌদি আরব গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানকার হোটেল, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট এবং আবাসিক রিসর্টে বাণিজ্যিক কাজকর্ম চলানোর জন্য দেওয়া লাইসেন্সের ফি বাতিল করেছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। দেশটিতে পর্যটন বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সৌদি আরব গত মার্চ মাস থেকে এই কর্মসূচী চালু করে। এই কর্মসূচীর লক্ষ্য সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-র লক্ষ্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশটিকে একটি বৈশ্বিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
এসপিএর খবরে বলা হয়, এই উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের পর্যটন খাতে আরও অর্থ ঢালতে উৎসাহিত করবে। যা প্রকৃতপক্ষে দেশিয় শিল্পে অবদান বাড়াবে।
ভিশন ২০৩০ উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রের আধুনিকায়ন এবং তেল রপ্তানি আয়ের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা করেছে। অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে আট শ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।