
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনের বাদশাহ তাঁর সিংহাসনে বসার ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার ৪৫৭ জন বন্দিকে ক্ষমা করেছেন। মুক্তি পাওয়াদের মধ্যে অনেকেই রাজবন্দী বলে মনে হচ্ছে।
সরকার-চালিত বাহরাইন নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই গণমুক্তি যারা পেলের তাদের অনেকেই ২০১১ সালে আবর বসন্তের প্রতিবাদের সময় ভিন্নমতের এইসব লোকজনকে বন্দী করা হয়।
বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফার আদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের নামের কোনো তালিকা ছিল না। প্রথম আমির হিসেবে তিনি বাহরাইনকে শাসন করেছিলেন।
এ বিষয়ে বাহরাইনের সরকার মার্কিন বার্তা সংস্থা এপির প্রশ্নের কোনো উত্তর দেয়নি। তবে বলেছে যে, ফৌজদারি বিচারের প্রতি বাহরাইনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে আজ ৪৫০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে সমাজে ইতিবাচকভাবে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বাহরাইন ইনস্টিটিউট ফর রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসির অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর সাইয়েদ আহমেদ আলওয়াদাই জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্তদের অনেকেই রাজনৈতিক বন্দী। তাঁরা কঠোর পুনর্বাসন ও সংস্কার কেন্দ্র থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে এক সময় সেখানকার বন্দীরা বিক্ষোভ ও অনশন করেছে।

বাহরাইনের বাদশাহ তাঁর সিংহাসনে বসার ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার ৪৫৭ জন বন্দিকে ক্ষমা করেছেন। মুক্তি পাওয়াদের মধ্যে অনেকেই রাজবন্দী বলে মনে হচ্ছে।
সরকার-চালিত বাহরাইন নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই গণমুক্তি যারা পেলের তাদের অনেকেই ২০১১ সালে আবর বসন্তের প্রতিবাদের সময় ভিন্নমতের এইসব লোকজনকে বন্দী করা হয়।
বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফার আদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের নামের কোনো তালিকা ছিল না। প্রথম আমির হিসেবে তিনি বাহরাইনকে শাসন করেছিলেন।
এ বিষয়ে বাহরাইনের সরকার মার্কিন বার্তা সংস্থা এপির প্রশ্নের কোনো উত্তর দেয়নি। তবে বলেছে যে, ফৌজদারি বিচারের প্রতি বাহরাইনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে আজ ৪৫০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে সমাজে ইতিবাচকভাবে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বাহরাইন ইনস্টিটিউট ফর রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসির অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর সাইয়েদ আহমেদ আলওয়াদাই জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্তদের অনেকেই রাজনৈতিক বন্দী। তাঁরা কঠোর পুনর্বাসন ও সংস্কার কেন্দ্র থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে এক সময় সেখানকার বন্দীরা বিক্ষোভ ও অনশন করেছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।